কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউপির মহিলা মেম্বার ফাতেমা নার্গিস(৫২)মাত্র ১৩দিন চিকিৎসা শেষে করোনা থেকে মুক্তি লাভ করে বাড়ি ফিরেছেন। বুধবার (১৩ মে)ফাতেমা নার্গিসকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়।
তিনি ১৩ দিন ধরে কক্সবাজারের রামুস্থ আইসোলেশন সেন্টারে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানান,গত ১৩দিন আগে মহিলা সদস্যা ফাতেমা নার্গিসকে আইসোলেশনে আনা হয়।পরপর ২বার পরীক্ষার পর তার করোনা পজিটিভ আসে।
এ বিষয়ে ফাতেমা নার্গিসের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমি একজন ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা সদস্যা।সমাজ এবং ইউনিয়নের গরিব অসহায় মানুষদের প্রতি আমার অনেক দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে। এসব দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করতে গিয়ে হয়তো কারো সংস্পর্শে আমার কোভিড -১৯ পজেটিভ আসতে পারে। তবে কোভিড-১৯ এর কোন উপসর্গ আমার কাছে ছিল না। তারপরও আমি পরিবার,সমাজ,ইউনিয়ন এবং রাষ্ট্রের কথা চিন্তা করে স্বেচ্ছায় আইসোলেশনে যাই।আলহামদুলিল্লাহ্ !আমার ছেলে মেয়ে,আত্নীয়-স্বজন সর্বোপরি আমার এলাকার মানুষের দোয়ায় বর্তমানে করোনা পরীক্ষায় আমার রেজাল্ট নেগেটিভ আসে। আমি দেশবাসী সবার কাছে দোয়া চাই।
গত ১৫ দিন আগে ফাতেমা নার্গিসের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য কক্সবাজার সরকারি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল।তখন করোনা পজেটিভ আসে তার। এরপর তাকে রামু আইসোলেশন সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। এখানেই তার চিকিৎসা চলে।
এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানান, প্যারাসিটামল,অ্যান্টি-হিস্টামি ন,ভিটামিন সি ও অ্যাজিথ্রোমাইসিন জাতীয় ওষুধ দেয়া হয়েছিল ফাতেমা নারগিসকে।এছাড়া প্রতিদিন গরম পানি,লেবু,আদা ও লবণ দিয়ে গরম পানির গড়গড়া করানো হয়েছে তাকে।
ধীরে ধীরে তার স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে। পরবর্তীতে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠালে রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। এরপরও নিশ্চিত হতে পুনরায় নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। ১২মে তার করোনা নেগেটিভ রিপাোর্ট আসে।এর প্রেক্ষিতে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয় ফাতেমা নার্গিসকে। এর পর স্বাস্থ্য কর্মকর্তা/কর্মীরা করোনা জয়ী ইউপি সদস্য ফাতেমা নার্গিসকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
বার্তা প্রেরক
মোঃজহিরুল ইসলাম
কক্সবাজার(পেকুয়া)প্রতিনিধি












