চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দক্ষিণে কর্ণফুলী নদী ও বঙ্গোপসাগরের মিলনস্থলে পতেঙ্গা সৈকতের অবস্থান। সৈকতপ্রেমী অনেকে বঙ্গোপসাগরের সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে এখানে আসেন। এই সৈকতকে ঘিরে বর্তমানে হোটেল-মোটেলসহ বিভিন্ন অবকাঠামো গড়ে উঠেছে। এ ছাড়া সৈকত ঘেঁষে তৈরি হয়েছে সাড়ে ১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ আউটার রিং রোড। ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ পতেঙ্গা সৈকত রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে সৈকতের ৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ওয়াকওয়ে তৈরি ও সৌন্দর্য্যবর্ধন করেছে। তবে এ নিয়ে সমালোচনাও আছে বিস্তর।
সরেজমিনে দেখা যায়, মাত্র কিছুদিন আগেও হাজার হাজার মানুষের পদচারণায় যে পতেঙ্গা সৈকত থাকতো মুখর, সেই সৈকত এখন প্রায় অচেনা ভূমি, নেই কোথাও কোলাহল— নিস্তব্ধতাই এখন তার নিত্যসঙ্গী। সৈকতের মলিন গাছগুলোতে গজাতে শুরু করেছে নতুন নতুন ডালপালা। সৈকতজুড়ে শুধু দেখা যায় নানান প্রাণীর ছুটোছুটি।
স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের পদচারণায় মুখর থাকে পতেঙ্গা সৈকত। চট্টগ্রাম ও আশপাশের জেলা থেকে প্রতিদিন শত শত গাড়িতে করে এই সৈকতে ভিড় জমান পর্যটকরা। আবর্জনা ও দূষণে সৈকত রুগ্ন রূপ ধারণ করে।
চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের প্রকৃতি যেন আপন প্রাণ ফিরে পেল! করোনাভাইরাস আতঙ্কে সৈকতটি আগেই বন্ধ করে দিয়েছিল প্রশাসন। আর এতেই আপন রূপে জেগে উঠেছে প্রকৃতি। ডালপালা মেলতে শুরু করেছে লতাপাতা। সৌন্দর্য্যবর্ধনে লাগানো গাছগুলোতে ফুটছে ফুল। সমুদ্রতীরে দেখা যাচ্ছে ঝাঁকে ঝাঁকে শামুক-ঝিনুকের বিচরণ।
সাইফুদ্দিন
চট্রগ্রাম, প্রতিনিধি












