ফেনী সদর উপজেলার কালিদহ ইউনিয়নের মাইজবাড়ীয়া গ্রামে নিজ বাড়ীর ছাদে বৃহস্পতিবার রাতে তানিশা ইসলাম (১১) নামে এক কিশোরীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। কিশোরী তানিশা ইসলামকে নৃশংসভাবে খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ তার জেঠাতো ভাই আক্তার হোসেন নিশানকে(১৫) আটক করেছে।পুলিশ ঘটনাস্থলে নিশানের জুতা পেয়ে তাৎক্ষণিক তাকে বাড়ী থেকে আটক করে।সে ওই বাড়ীর মৃত সাহাব উদ্দিনের ছেলে। ধারনা করা হচ্ছে তানিশাকে একা পেয়ে নিশান ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।ব্যর্থ হয়ে সে চাচাতো বোনকে খুন করে।
ঘটনার সময় তানিশার মা পাশের ঘরে ছিলেন।তানিশার বড় ভাই মসজিদে এতেকাফে ছিলেন, দাদী তখন তারাবীর নামাজ পড়ছিলেন বলে জানা যায়।মা ঘরে এসে তানিশাকে না পেয়ে খুঁজছিলেন।এসময় ছাদে মেলে তানিশার রক্তাক্ত মৃত দেহ। খবর পেয়ে রাতেই জেলা পুলিশ সুপার খোন্দকার নূরুন্নবী (বিপিএম, পিপিএম) ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তিনি জানান,তানিশা খুনের রহস্য উদঘাটনে পুলিশের একাধিক টীম কাজ করছে।স্বল্প সময়ের মধ্যেই জড়িতকে শনাক্ত করা হবে।জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের জেঠাতো ভাই নিশানকে আটক করা হয়েছে। তানিশার লাশ উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
বার্তা প্রেরক
শেখ আশিকুন্নবী সজীব
ফেনী প্রতিনিধি












