বছর ঘুরে আবারোও এলো পবিত্র মাহে রমজান। সারাদিন রোজা শেষে ইফতারে রাখতে হবে পুষ্টিকর খাবার। যা শরীরের ক্লান্তি দূর করে শরীরকে সতেজ করে তুলবে,শরীরে শক্তি জোগাবে এবং শরীরকে রাখবে সুস্থ। কার্বোহাইড্রেট,প্রোটিন, ফ্যাট,ভিটামিন এবং মিনারেল এ পাঁচটি উপাদানের সম্বনয়ে যে খাদ্যতালিকা তৈরী হয় তাকে বলা হয় আর্দশ খাবার। শরীরে শক্তির উৎস হিসেবে ছোলা খাওয়া উচিত ছোলাতে রয়েছে প্রোটিন যা শরীরে শক্তি জোগাতে সাহায্য করে।
শরীরে পানির চাহিদা পূরনে ঘরের তৈরি লেবুর শরবত,তাজা ফলের রস,ইসুবগুলের ভুসির শরবত, তোকমার শরবত,ডাবের পানি খাওয়া যেতে পারে।তবে মনে রাখতে হবে,একবারে বেশি পানি পান করা মোটেও উচিত নয়।ইফতারের খানিকক্ষণ পরপর অল্প পরিমাণে পানি পান করতে হবে। যে কোনো মৌসুমি ফল ইফতারের মেনুতে রাখা যায়,এছাড়া মিক্সড ফ্রুটস বা ফল দিয়ে তৈরি ডেজার্ট খাওয়া যেতে পারে যা,ভিটামিন ও মিনারেলের চাহিদা পূরন করবে।
চিড়া ও দই/ কলা ইফতারের জন্য খুবই ভালো যাতে রয়েছে কার্বোহাইড্রেট,প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম।এছাড়াও ঘরের তৈরির সবজি,নুডলস,স্যান্ডউইচ,সবজি রোল, পাকোড়া,বয়স্কদের জন্য সবজি স্যুপ রাখা যেতে পারে। ইফতারে স্বাস্থ্যকর মিষ্টান্ন পরিমিত পরিমান খাওয়া যেতে পারে যেমনঃদুধের তৈরি মিষ্টি,ফালুদা,ফিরনি। সুতরাং,রোজার সুস্থতায় স্বাস্থ্যকর পরিমিত খাবার গ্রহন করা অতীব জরুরি। সুষম ও স্বাস্থ্যকর ইফতার শরীরে যথাযথ পুষ্টি চাহিদা পূরনের পাশাপাশি শরীরকে সুস্থ ও সক্রিয় রাখতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। পরিশেষে মনে রাখতে হবে যে,ঘরের তৈরি খাবার ইফতারকে স্বাস্থ্যকর করে তুলে।
তানজিলা প্রিয়াংকা
ওনার ওফঃ স্বাদে ১৬ ’আনা












