দিনাজপুর প্রেসক্লাবে ৩০ বছর ধরে বসবাসকৃত বসতভিটা রক্ষা ও হয়রানী বন্দের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

দিনাজপুর প্রেসক্লাবে বীরগঞ্জের কাঁচা তরকারীর দোকানী দুই ভাই বসতভিটা রক্ষা, আইনী হয়রানী বন্দ ও প্রশাসনের কাছে ন্যায় বিচারের আশায় সংবাদ সম্মেলন কারেছে ভুক্তভুগি পরিবার। দিনাজপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ৮ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় বীরগঞ্জ উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের মুজকুড়ী গ্রামের সামসুদ্দিন ইসলামের দুই ছেলে কাঁচা তরী তরকারীর দোকানী সোলেমান ও রফিক লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করে বলেন, তার বাবা ১৯৮৯ সালে মুজকুড়ী মৌজায় সাড়ে ১২ শতক জমি ক্রয়করে বসবাস করছে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তারা বলেন, উপজেলার মুজকুড়ী মৌজার জেএল নং ৮৩, দাগ ৯৬ ও ৯৯ এর এসএ খতিয়ানের ১০৯, খারিজ ১৫৭, ডিপি ১৮৬ এর সাড়ে ১২ শতক জমি আমার বাবা সামসুদ্দিন ইসলাম ১৯৮৯ সালে ক্রয় করে বাড়ীঘর তৈরী করে বসবাস করে আসিতেছি। আমাদের ঐ জায়গা একই এলাকার তছির উদ্দিনের পুত্র ভুমিদশ্যু দাঙ্গাবাজ বাবলু ইসলাম কিছুদিন হতে দখলের জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। যার কারনে সে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন নাটক সাজিয়ে আমাদের হয়রানী করছে। বিশেষ কোন অদৃশ্য শক্তির কারনে বেশ কয়েকবার চুরির মামলায় হাজতবাস করা বাবলু আমাদের গাছের ফল আমাদেরকেই পাড়তে, লাগাতে বাধা দেয়। বাড়ীর মহিলাদের দিয়ে আমাদের ক্ষতি করার চেষ্টা করে আসছে।

টাউট বাবলু নিজেকে পুলিশের সোর্স প্রচার করে মাঝে মাঝেই বীরগঞ্জ থানার পুলিশকে দিয়ে আমাদের দুই ভাইকে হেস্থ নেস্থ করার চেষ্টা করে। কিছুদিন পূর্বেও এএসআই দীনেশ বিনা অপরাধে আমার ভাইকে তুলে আনার মতো ঘটনাও ঘটায়। এ সময় পলাশবাড়ী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জুয়েলুর রহমান আমার ভাইকে পুলিশের হাত থেকে রক্ষা করে।

গত ৬ই এপ্রিল দুপুরে আমরা ২ ভাই গড়েয়া বাজারে কাচা মালের দোকান করা কালে বাড়িতে শুধুমাত্র মহিলা ও বাচ্চারা থাকার সুযোগে আমাদের লাগানো শুপারী গাছে উঠে শুপারী পেড়ে নিয়ে যায় , কলা কেটে নিয়ে যায়। এ সময় আমার মা মোছাঃ রশিদা বেগম (৫৫) বাধা দিলে বাবলু ইসলাম আমার মাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। এ সময় আমার বড় ভাবি বাড়ী হতে গালাগালি শুনে বের হলে বাবলু (৫১), তার পুত্র রকিউল ইসলাম (৩০), রবিউল ইসলাম (২৪) আমার মা ও ভাবিকে ধরে মারধর করে। তারা বর্তমানে বীরগঞ্জ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

লিখিত বক্তব্যে তারা আরো বলেন, এ ঘটনায় চোর বাবলুর পক্ষে কাজ করা স্থানীয় নেতা পল্লী চিকিৎসক পরেশ রায়সহ কয়েক জন বাবলুর পক্ষ নিয়ে আমার বড় ভাই বাজার হতে বাড়ীতে ফেরার সময় হুমকি দেয়। বেশি বাড়াবাড়ী করলে বসত বাড়ী ও জমা জমি কি ভাবে দখল করতে হয় এবং নারী নির্যাতন সহ বিভিন্ন মামলা দিয়ে হয়রানী করতে হয় তা আমাদের জানা আছে। তাই তোমরা সাবধান হয়ে থাকো। ভুক্তভুগি পরিবারটি সঠিক ভাবে তদন্ত পূর্বক তাদের বসবাসের ভিটা রক্ষাসহ স্থানীয় পরেশ রায় ও পুলিশের হয়রানী হতে রক্ষার জন্য প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

বার্তা প্রেরক
এন.আই.মিলন
দিনাজপুর প্রতিনিধি

মন্তব্য করুনঃ

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন