রাজশাহী বাগমারা উপজেলার আউচপাড়া ইউনিয়নের কোন্দা গ্রামের ধর্ষক অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক হাজী মোঃ ওয়াহেদ মোল্লাকে এখন পযর্ন্ত গ্রেপ্তার করতে পারেনি থানা পুলিশ। ধর্ষক কেন গ্রেপ্তার হচ্ছে না?, অথবা থানা পুলিশ কেন ধর্ষক ওয়াহেদ মোল্লা কে গ্রেপ্তার করছে না এই নিয়ে জনমনে দেখা দিয়েছে নানার প্রশ্ন। উল্লেখ্য গত বৃহস্পতিবার ১৮ই মার্চ কোন্দা গ্রামের জনৈক ব্যক্তির স্কুল পড়ুয়া ৯ বছরের শিশুকে খাবার প্রলোভন দেখিয়ে নিজ বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে জোরপূর্বক ভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে শিশুটির সম্পর্কের বড় চাচা তাকে ধর্ষণ করে।
ধর্ষকের অত্যাচারের ফলে শিশুটি যখন দিন দিন অসুস্থ হয়ে পড়ছিলে। ঠিক তখনি ধর্ষকের আসল চেহারাটা বের হয়ে আসে। ভিকটিম যখন ধর্ষকের অত্যচারে কথা প্রথমে তার মাকে বলে তখন বিষয়টি তার মা পরিবারের লোকজন জানায়। তখন শিশুটির পরিবার ধর্ষক অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক হাজী মোঃ ওয়াহেদ মোল্লার কাছে শিশুটির পরিবারের লোকজন ঘটনাটি জানতে চাইলে তিনি ঘটনাটির জন্য অনুতপ্ত হয়ে ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চান এবং বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মিমাংসা করার জন্য বলেন। যা শিশুটির পরিবারের লোকজনের কাছে মোবাইল ফোনে ভিডিও করে ধারন করা হয়েছে। ধর্ষক অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক হাজী মোঃ ওয়াহেদ মোল্লা ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে মিমাংসার কথা বলে এলাকা হতে “গা “ঢাকা দেয়।
গায় ঢাকা দেয়ার পর থেকে ধর্ষক ওয়াহেদ মোল্লার পরিবারের লোকজনেরা বারবার ভিকটিমদের পরিবারকে ঘটনাটি ধাপাচাপা দেয়ার জন্য হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে। শিশু ধর্ষণের কথাটি প্রথমে হাটগাঙ্গোপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে জানানা হলে পুলিশ প্রথমে প্রাথমিক ভাবে তদন্ত করে। পুলিশ তদন্ত করার পর থেকে শিশুটির পরিবারের উপর আস্তে আস্তে প্রাণে মেরে ফেলার মত হুমকি ধামকি আসতে থাকে। একপর্যায়ে প্রাণের ভয়ে শিশুটির পরিবার শিশু ধর্ষণের ন্যায় বিচার পাওয়ার জন্য ২০ই মার্চ শনিবার শিশুটির মা থানায় বাদী হয়ে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ এনে ধর্ষক ওয়াহেদ মোল্লা কে আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
থানায় মামলা হওয়ার পরেও থানা পুলিশ এখনও আসামি কে গ্রেপ্তার করেছে না, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সরেজমিনে এলাকায় গিয়ে স্থানীয় এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, ধর্ষক হাজী ওয়াহেদ মোল্লার পরিবার আগে থেকেই দুশ্চরিত্রের। তাদের পরিবারে এর আগেই ও এই রকম অনেক ঘটনা রয়েছে। তাই এলাকাবাসীর দাবি আসামি ধর্ষক হাজী ওয়াহেদ মোল্লা সহ তার সহযোগীদের কে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা করা হক।এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা এসআই মোঃ শামসুল আলমের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
বার্তা প্রেরক
মোঃ সাইফুল ইসলাম
বাগমারা (রাজশাহী) প্রতিনিধি












