পাবনার ভাঙ্গুড়ায় কলেজ ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির দায়েরকৃত মামলায় সাবেক সেনাসদস্য সেই সোহেল হোসেন(জগলু)(৪৪)কে আটক করে ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার ভাঙ্গুড়া থানার এসআই নাজমুল কাদের দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার মন্ডতোষ গ্রামের জগলুর নিজ বাড়ি থেকে আটক করেন। জগলু ওই গ্রামের মোহাম্মদ হাজীর ছেলে। জানা যায় (১৮) জানুয়ারি সোমবার রাত ৮ টার দিকে মুদির দোকানে মায়ের জন্য পান কিনে ফেরার পথে কলেজ ছাত্রীকে প্রতিবেশী সেনা সদস্য লম্পট জগলু কুপ্রস্তাব দেয় প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় মুখ চেপে ধরে জোর করে বাগানে নিয়ে যায়। এসময় চিৎকার দিলে এলাকা বাসির উপস্থিতি টের পেয়ে লম্পট সেনা সদস্য পালিয়ে যায়। বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
গরিব অসহায় কলেজ ছাত্রীর পরিবার মঙ্গলবার সন্ধায় থানায় গেলে সোহেল(জগলু) প্রভাবশালী ও ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের আত্বীয় হওয়ায় এলাকার কিছু প্রধানকে ম্যানেজ করে ছাত্রীর পরিবারকে থানার সামনে থেকে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে ফিরিয়ে নিয়ে যায়। পরের দিন ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আফছার মাষ্টারের নেতৃত্বে ইউপি সদস্য মোঃ সাগর আলীর আহ্বানে ও ওহাব আলীর সভাপতিত্বে বুধবার রাত ৮ টারদিকে মন্ডতোষ সরকারী প্রথমিক বিদ্যালয় মাঠে সালিশের আয়েজন করেন। শালিসে অভিযুক্ত সোহেল ও তার পরিবা কেউ উপস্থিত হয়নি। চেয়ারম্যানের আত্বীয় ও কিছু অসাধু গ্রাম প্রধান ম্যানেজ হওয়ায় তেমন কোন পদক্ষেপ নেন নাই প্রধানরা।
বৃহস্পতিবার সকালে কলেজ ছাত্রী নিজে বাদি হয়ে ভাঙ্গুড়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগ পেয়ে ভাঙ্গুড়া থানার ওসি মুহম্মদ আনোয়ার হোসেন ঘটনা স্থান পরিদর্শন করেন। ভাঙ্গুড়া থানার ওসি মুহম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, অভিযোগের পর থেকে আসামিকে ধরার জন্য তৎপর ছিলেন থানা পুলিশ। বিভিন্ন কৌশলের পর তার নিজ বাড়ি থেকে আটক করে ৩৪১/৫০৬ পেনাল কোডে ততসহ ২০০৩সালের নারি ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এর ১০ধারায় মামলা রুজু করে আসামিকে পাবনা জেলহাজতে পেরন করা হয়েছে।
বার্তা প্রেরক
মোঃ আকছেদ আলী
ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি












