যারা বিদ্রোহ করবে তারা কিন্তু ডাস্টবিনে নিক্ষিপ্ত হবে.. জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী গাংনীতে আওয়ামী লীগের ১ যুগ পূর্তিতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আশির্বাদ আমাদের জেলায় আছে। কারণ আমাদের জেলা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর নামে আমাদের জেলার নাম করণ করা হয়েছে। তাছাড়া আমাদের জেলায় একজন মন্ত্রী আছে। তাই আমাদের জেলাকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আলাদা গুরুত্ব দিয়ে দেখেন।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের ১ যুগ পূর্তি উপলক্ষ্যে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার চিৎলা ফার্মে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় ভার্চুয়াল মিডিয়ায় সরাসরি যুক্ত হয়ে সরকারের উন্নয়নের কথা তুলে ধরে এমনটি বলেন মেহেরপুর -১ আসনের এমপি ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন দোদুল।
তিনি বলেন মেহেরপুর জেলার উন্নয়ন নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যাপক পরিকল্পনা রয়েছে।

মেহেরপুর থেকে গাংনী হয়ে কুষ্টিয়া পর্যন্ত সড়কের উন্নয়ন পরিকল্পনা একনেকের আলোচনায় উঠবে। প্রায় ৭’শ কোটি টাকার উন্নয়নের কথা বলা হয়েছে। তিনি বলেন মেহেরপুর জেলায় গাংনী হচ্ছে সবচেয়ে বড় উপজেলা। সেক্ষেত্রে এখানে উন্নয়নের অনেক সুযোগ রয়েছে। গাংনী পৌর এলাকায় মেহেরপুর-কুষ্টিয়া মহসড়কে ৪ লেন রাস্তা করা হবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালটিকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজে রুপান্তরিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে কারণে মেহেরপুর থেকে কুষ্টিয়া পর্যন্ত রাস্তাটি অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাস্তাটি হলে মাত্র ৩৫ মিনিটে মেহেরপুর থেকে কুষ্টিয়া পৌছানো যাবে।

এই উন্নয়নের কথা তুলে ধরতে গিয়ে তিনি গাংনী পৌরসভা নির্বাচনের কথা বলেন। তিনি বলেন সরকারের উন্নয়নের সুযোগ সুবিধা যাতে গাংনী পৌরসভায় পৌছায় সেজন্য সকলে মিলে নৌকার মেয়র নির্বাচিত করতে হবে। কারণ এখানে যদি আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পরিবর্তে অন্য কেউ নির্বাচিত হয় তাহলে এলাকার উন্নয়ন সেভাবে পাওয়া যাবেনা। সেক্ষেত্রে আমাদের এলাকার উন্নয়নের কথা ভেবে সঠিক ব্যাক্তিকে নির্বাচিত করা উচিৎ হবে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশের উন্নয়নে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। সেক্ষেত্রে মেহেরপুরের উন্নয়ন বুঝে নিতে হবে- গাংনীর উন্নয়ন বুঝে নিতে হবে। বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে আমাদের দলের সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা অত্যান্ত কঠোর। বিদ্রোহী প্রার্থী দলের মনোনয়ন ফর্ম পর্যন্ত নিতে পারবেনা। যারা বিদ্রোহ করবে তারা কিন্তু ডাস্টবিনে নিক্ষিপ্ত হবে। বিদ্রোহীদের ব্যাপারে একেবারে দল থেকে জিরো টলারেন্স। তাই আমাদের সকলের উচিত হবে আমাদের নেত্রীর মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করা। এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে দলের মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

আলোচনা সভায় উপস্থিৎ ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান এম এ খালেক, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক এডভকেট ইব্রহীম শাহীন, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও মেহেরপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মকবুল হোসেন, সাবেক মেয়র এবারের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা আহম্মেদ আলী, জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ফজলুল হক, উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান একে এম শফিকুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ফজলুল হক, জেলা কৃষকলীগের সাধারন সম্পাদক ওয়াসিম সাজ্জাদ লিখন, মহিল ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমীন, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মোঃ মোশাররফ হোসেন, সাধারন সম্পাদক শফি কামাল পলাশ,পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সানোয়ার হোসেন বাবলু, সাধারণ সম্পাদক আনারুল ইসলাম বাবু, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি শাহিদুজ্জামান শিপু প্রমুখ। এসময় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীবৃন্দ উপস্থিৎ ছিলেন। আলোচনা শেষে দেশের উন্নয়নে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন শাহ সুফি হযরত মওলানা মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ ইসলাম আনছারি।

বার্তা প্রেরক
এ সিদ্দিকী শাহীন
মেহেরপুর প্রতিনিধি

মন্তব্য করুনঃ

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন