মাদারীপুরের কালকিনির রমজানপুর এলাকার দক্ষিন রমজানপুর গ্রামে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে দশম শ্রেণীর এক দরিদ্র স্কুলছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ধর্ষণের বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল উঠেপড়ে লেগেছে বলে জানাযায়। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ওই ধর্ষিতার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা করার জন্য আসেন।
ভুক্তভোগী পরিবার ও পুলিশ সুত্রে জানাগেছে, উপজেলার রমজানপুর এলাকার দক্ষিন রমজানপুর গ্রামের রমেশ মন্ডলের লম্পট ছেলে সুমন মন্ডল তার বাড়ির পাশের দশম শ্রেণীর স্কুলছাত্রীর সঙ্গে প্রথমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। এরপর সুমন মন্ডল তাকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে তার এক আত্বীয়র বাড়ি নিয়ে গিয়ে তিনদিন আটকে রেখে জোরপুর্বক একাধিকবার ধর্ষন করে।
এরপর সুমন মন্ডল স্কুলছাত্রীকে একা ফেলে রেখে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পরে স্কুলছাত্রী নিরুপায় হয়ে সুমন মন্ডলের বাড়িতে গিয়ে বিয়ের দাবি নিয়ে অবস্থান করে। কিন্তু সুমন মন্ডলের পরিবার অবস্থানরতকালে তাকে মারধর করে। এ দিকে বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার জন্য অভিযুক্ত সুমনের পক্ষ থেকে অসহায় ভুক্তভোগীর পরিবারকে কাউকে কিছু না বলার জন্য স্থানীয় মাতুব্বর রবি মন্ডল, সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ কামরুল বেপারী ও নিখিল ভক্তসহ বেশ কয়েকজন মিলে চাপ প্রয়োগ করে আসছেন। পরে খবর পেয়ে কালকিনি থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আসেন। তবে ঘটনার পর থেকে এখন পর্যন্ত সুমন মন্ডল পলাতক রয়েছে।
ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর বাবা সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, আমার মেয়েকে সুমন বিয়ে কথা বলে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে। আমি সুমনের বিচার চাই। এ বিষয় জানতে চাইলে রবি মন্ডল ও নিখিল ভক্তের মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। অভিযুক্তের বাবা রমেশ মন্ডল বলেন, আমি কিছুই জানিনা। এ ব্যাপারে কালকিনি থানার ওসি মো. নাছিরউদ্দিন মৃধা বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। তবে ধর্ষনের ঘটনা গৌরনদী থানায় তাই মামলা সেই থানায় দিতে হবে।
বার্তা প্রেরক
মাসুদ রেজা ফিরোজী
মাদারীপুর প্রতিনিধি












