কাজিপুর উপজেলায় ০১টি পৌরসভা ১২টি ইউনিয়নের মধ্যে ০৭টি ইউনিয়নই নদী কবলীত ও চরাঞ্চলে অবস্থিত। কাজিপুর, মাইজবাড়ী, শুভগাছা ও গান্ধাইল ইউনিয়ন আংশিক নদী কবলিত। সোনামুখী ও চালিতাডাঙ্গা ইউনিয়ন নদী ভাঙ্গোনের বাইরে রয়েছে।
সরেজমিন গিয়ে নৌ-ঘাটের ইজারাদার, নৌকার মালিক, মাঝি ও যাত্রী সাধারণের নিকট থেকে জানাযায়, নদীর পশ্চিম পার্শ্বের খুদবান্দি, মেঘাই ও ঢেকুরিয়া ঘাট দিয়ে নদীর পূর্ব পার্শ্বের তেকানী, খাসরাজবাড়ী, নাটুয়ারপাড়া, ছালাল, মল্লিকপাড়া, সানবান্দা, উজান মেওয়াখোলা, পানাগাড়ী ঘাট থেকে চরাঞ্চলের ৭টি ইউনিয়নের প্রায় এক থেকে দেড় লক্ষ যাত্রী অফিসিয়াল কাজ, চিকিৎসা ও ব্যবসায়িক নানাবিধ কাজে যাতায়াত করে থাকে। কিন্তু নদী পারা-পারের এই বিশাল যাত্রী সাধারণের দূর্ভোগের শেষ নেই। ডিগ্রী দোরতা গ্রামের যাত্রী শাহদৎ হোসেন ও বীজ কোম্পানির প্রতিনিধি সুমন এই প্রতিনিধিকে জানান, নদী পারা-পারে যে সমস্ত নৌকা ও স্প্রিডবোট ব্যবহার করা হয় তাতে বসার আসন নেই, ঘাটে অপেক্ষমান যাত্রীদের জন্য যাত্রী ছাউনী নেই, রোদ-বৃষ্টি থেকে রক্ষার জন্য নৌকাতে ছই নেই, মাঝ নদীতে আকস্মিক বিপদ থেকে রক্ষার জন্য লাইফ জ্যাকেট নেই, একই নৌকায় যাত্রী, মালামাল ও গবাদি পশু বহন করা হয়। করোনা কালীন সময়ে বর্ধিত ভাড়া কমানো হয়নি। মেঘাই ঘাট ব্যতিত অন্যান্য ঘাটে কোন পাবলিক টয়লেট নেই।
ফলে যাত্রী সাধারণের প্রাকৃতিক প্রয়োজন মেটাতে ভীষণ অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়। মেঘাই ঘাটের নৌকা মালিক কালু ও শফিকুল ইসলাম জানান, মেঘাই ঘাটে পাবলিক টয়লেট থাকলেও তা কেয়ার টেকার সুইপার গোপাল ৫টার পর তালা দিয়ে চলে যায়। চেইন মাস্টার তালহা ও নৌকার মাঝি শফিকুল, রাজ্জাক ও দুলাল উল্লেখিত সমস্যার কথাগুলো স্বীকার করলেও বর্ধিত ভাড়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন। স্থানীয়সূত্রে আরো জানাযায়, স্প্রিডবোট চালক ও নৌকার মাঝিদের ইঞ্চিন চালানোর বিষয়ে কোন প্রশিক্ষণ নেই। ফলে দুর্ঘটনা বেড়েই চলছে। চর ও বিরাঞ্চলের যাত্রী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ উল্লেখিত সমস্যাগুলোর দ্রুত নিরসন চায়।
বার্তা প্রেরক
মোঃ হুমায়ুন কবীর
কাজিপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি












