সমকালে ‘সওজের জমি ও খাল দখল করে ইমারত নির্মাণ’ শিরোনামে গত ১৯ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত সংবাদের পর নরসিংদী সদর ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী বালু সরানো কাজ শুরু করেছে। তিনি সমকালের প্রতিনিধির সাথে সাক্ষাৎকারে দেয়া প্রতিশ্রুতি রেখেছেন। তিনি বলেছিলেন, শিঘ্রই ভরাটকৃত খাল খনন করে পানি নিস্কাশনে সচল রাখা হবে।
উল্লেখ্য, নরসিংদী সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের মাত্র পাঁচশত মিটার দূরেই ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভাগদী মৌজায় দগরিয়া খাল ভরাট করে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলছে চিনিশপুর ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার মো: মামুন ভূঁঞা। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের নাকের ডগায় এভাবে বালু ভরাট করে দগরিয়া খাল ভরাট করার কারণে চিনিশপুর ইউনিয়নের দগরিয়ার চর, ভাগদী, বাসাইল, চিনিশপুর, শিলমান্দী ও রাজারদী এলাকার পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। এতে করে পার্শ্ববতী ৬/৭শত বিঘা জমিতে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা।
মাত্র ১৬ শতাংশ জমির মালিক ইউপি মেম্বার মামুন ভূঁঞা সওজ-এর প্রায় ৩ বিঘা জায়গা (খাল ও জলাধার) অবৈধভাবে দখল করে বালু দিয়ে ভরাট করে নেয়ায় আশেপাশের প্রায় ৭শত পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি এখানকার ৪/৫টি গ্রামে কৃষিকাজ, শিল্পকারখানা, মৎস্য, সেচ প্রকল্প সবই বন্ধ হয়ে গেছে।
উক্ত খালটি ২০০০ সালে সম্পন্ন সিটি জরিপেও দগরিয়া খালের অস্তিত্ব রয়েছে এবং দিয়ারা জরিপে বাংলাদেশের পাঁচটি জেলার (রাজশাহী, নরসিংদী, চট্টগ্রাম, বরিশাল) মধ্যে দিয়ারা সেটেলম্যান্ট অফিসের নেতৃত্বে দগরিয়া খালের জরিপ ১৯৮৮ সালে সম্পন্ন হয় ।
নরসিংদী সড়ক ও জনপথ অদিপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোফাজ্জল হায়দার জানিয়েছিলেন, এব্যাপারে নরসিংদী সদর মডেল থানায় মামুনের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে এবং খুব শিঘ্রই মামুনের ভরাটকৃত বালু ভেকু মেশিন দিয়ে সরিয়ে ফেলে খাল সচল রাখার ব্যবস্থা করা হবে।
বার্তা প্রেরক
মো: নুরুল ইসলাম
নরসিংদী প্রতিনিধি












