গতকাল ১০ মুহাররম পবিত্র আশুরাকে বাংলাদেশের মাটিতে বিশ্ব শহীদ দিবস হিসেবে উদযাপনের ঘোষণা এবং উদযাপন করার এইটি ৮ম বর্ষ। প্রায় নয়শত বছর আগে বরেন্দ্র বা বারিন্দ অঞ্চলে পবিত্র মুহাম্মদী ইসলাম ধর্ম প্রচারের জন্য তৎকালীন পৌত্তলিক নরবলী দেওয়া মহাকাল গড়ের রাজার হাতে নির্মমভাবে শাহাদত বরণ করেন কারবালার প্রান্তরে শাহাদত বরণকারী মাওলা হুসাইন (আ) এঁর পবিত্র বংশধর মাওলা শাহ্ তুরকান (র)।
তিঁনি বাংলাদেশে ইসলাম প্রচারের অন্যতম অগ্র সেনানী প্রথম শহীদ। তাঁর প্রতি ভক্তি আর সমর্পণ রেখেই বরেন্দ্র তথা মহাকাল গড়ের বিজয়ী বীর মাওলা শাহ্ মখদুম রুপোশ (র) এঁর পবিত্র পূণ্য স্মৃতির প্রতি সমর্পিত থেকে আমি, আমরা এই ১০ মহররম আশুরার দিনটিকে বিশ্ব শহীদ দিবস হিসেবে পালন করে আসছি।
দেশের বিভিন্ন আধ্যাত্মিক দরবার এখন তা অনুসরণও করছে। অশেষ শুকরিয়া মাওলার দরবারে এই বছর সরকারী বিধি-নিষেধ মেনেই শোকমিছিল বন্ধ রেখে দিনব্যপী রওজা জিয়ারত, আলোচনা ও দরূদ মাহফিলের মধ্য দিয়ে অত্যন্ত আত্মিক সংযোগ ও সমর্পণে আমরা দিনটিকে সাক্ষ্য দিয়েছি।
মুহাম্মদী ইসলামের মূল প্রেরণা বিশ্বনন্দিত শহীদে আকবর মাওলা হুসাইনের (আ) চরণে সিজদায়ে তাজিমী জানাই। পবিত্র মুহাম্মদী ইসলামের পুনঃ প্রতিষ্ঠার জন্য কারবালা প্রান্তরে শাহাদত বরণকারী মাওলা হুসাইন (আ) এবং তাঁর ৭২ জন সঙ্গী—সাথী ও পরিবার—পরিজনের প্রতি আমাদের অশেষ দরূদ, সালাম, সংযোগ ও সমর্পণ। আল্লাহুম্মা সল্লেয়ালা মুহাম্মাদেওঁ ওয়া আলে মুহাম্মদ
বার্তা প্রেরক
মোস্তাফিজ মিশু
রাজশাহী প্রতিনিধি












