লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার চৌধুরী বাজারে রোববার রাতে দুস্কৃতিকারীরা মোঃ রেদোয়ান হোসেন হৃদয় নামের কলেজ ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা ও দ্বিতীয় দফায় তার বসতঘরে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গ্রামবাসী মুমুর্ষ অবস্থায় কলেজ ছাত্রকে উদ্ধার করে রামগঞ্জ সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
সুত্রে জানায়, উপজেলার শাহ মিরান দাখিল মাদ্রাসা মাঠে রোববার রাত ৮টার দিকে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পিয়াশ গ্রুপ ও মোর্শেদ গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে উভয় গ্রুপের ৪ জন আহত হয়। সংঘর্ষের সময় রামগঞ্জ সরকারী কলেজের ছাত্র হৃদয় পরিস্থিতি খারাপ দেখে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এতে ক্ষীপ্ত হয়ে মোরশেদ গ্রুপের মোরশেদ আলম, আহাদ, স্বজলসহ কয়েকজন হৃদয়কে চৌধুরী বাজারে ধরে মধ্যযুগী কায়দায় বেদম মারধর করে।
এতে হৃদয় অজ্ঞান হয়ে পাকা রাস্তা ছিটকে পড়লে হামলাকারীরা মৃত ভেবে ফেলেরেখে চলে যায়। হৃদয়ের মা লাকি বেগম বলেন, কলেজ পড়ুয়া ছেলেকে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টার ঘটনা নেতৃত্বদানকারী মোর্শেদ ও আহাদের নেতৃত্বে ভ্রর্মপাড়া গ্রামের সাকিব হোসেন, মনির হোসেন, রহমান, রাসেল, মামুন,নাহিদ দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে গভীর রাতে দ্বিতীয় দফায় আবার আমাদের বসতঘরে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করে।
রামগঞ্জ সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হৃদয় সাংবাদিকদের জানায়,কলেজ বন্ধ থাকার সুবাদে বন্ধু পিয়াশের মুঠোফোনে বলে তার সাথে দেখা করতে। বন্ধুর ফোন পেয়ে মোটরসাইকেল নিয়ে শাহ মিরান মাদ্রাসার সামনে উপস্থিত হওয়ার পুর্বেই মারামারি দেখে দ্রুত স্থান ত্যাগ করে চৌধুরী বাজারে উপস্থিত হই। চৌধুরী বাজারে পৌছা মাত্রই আমার উপর এবং পরবর্তি ব্রমপাড়া বসতঘরে অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটে।
সৃষ্ট ঘটনায় মোর্শেদ ও আহাদের সাথে বারবার যোগের চেষ্টা করে তাদের পাওয়া যায়নি।
বার্তা প্রেরক
মিজানুর রহমান
রামগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি












