বীরগঞ্জে অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে মারধর

দিনাজপুরের বীরগঞ্জে এক অন্তসত্তা মহিলাকে মারধর করে বাড়ী থেকে বের করে দিয়েছেন তার শশুর বাড়ীর লোকজন। নির্যাতিতা দিনাজপুর জেলার  বীরগঞ্জ উপজেলার বিজয়পুর গ্রামের পেল্টু চৌধুরীর মেয়ে রশনি আকতার।

দেড় বছর আগে ঐ এলাকার আব্দুর রশীদের ছেলে ফারুক হোসেন এর সাথে রশনি ভালাবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠলে রশনির বাড়ীর লোকজন ফারুক হোসেনের বাবা আব্দুর রশীদকে জানায় ।

আব্দুর রশীদ রুশনি আকতারের সাথে তার ছেলের বিয়ে দিতে অসম্মতি জানালে ফারুক হোসেন তার নিজের ইচ্ছায় ছয় মাস আগে রশনি আকতারক বিয়ে করে তার বাড়ীতে নিয়ে যায়।

তখন ফারুক হোসেনের বাবা আব্দুর রশীদ ছেলে ও তার স্ত্রীকে বাড়ীতে ঢুকতে না দিলে, ফিরে আসে স্ত্রী রশনির বাড়ীতে। এসে ঘর সংসার করতে থাকে, ৫ মাস অতিবাহিত হওয়ার পর রশনি ফারুক হোসেনকে জানায় সে অন্তঃসত্ত্বা।

অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার কথা শুনে ফারুক হোসেন রুশনিকে বলে তার পেটের সন্তান নষ্ট করতে। রশনি আকতার তার গর্ভের সন্তানকে নষ্ট করতে অস্বীকার করলে ফারুক হোসেন দীর্ঘ এক মাস আত্মগোপন করে থাকে। ৩০/০৫/২০২০ তারিখে ফারুক হোসেন তার নিজ বাড়ীতে এসেছে খরব পেয়ে রশনি তার শশুর বাড়িতে যায়।

ঐ বাড়ীতে উপস্থিত ফারুক হোসেনের ছোট ভাই ফাহিম ও তার স্ত্রী রিতু বেগম, মামা রায়হান রানা ও তার মামী  আলো বেগম নির্যাতিতা রশনি আকতারকে বেধরক মারধর করে এবং ফারুক হোসেনের ছোট ফাহিম রশনি পেটে লাথি মেরে বাড়ী থেকে বের করে দিয়ে দরজা লাগিয়ে দেয়।

তখন রশনি আকতার তার শশুর বাড়ীর দরজার সামনে অবস্থান করে। খবব পেয়ে বীরগঞ্জ থানার তদন্ত অফিসার আবু হাসনাত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নির্যাতিতাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে  প্রেরন করেন। বীরগঞ্জ থানার তদন্ত অফিসার আবু হাসনাত আরও বলেন লিখিত অভিযোগ পেলে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

বার্তা প্রেরক
মাসুদ রানা
দিনাজপুর প্রতিনিধি

মন্তব্য করুনঃ

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন