সারা বিশ্বে আজ করোনার কাছে বড় অসহায়। গবেষকরা হাজারো চেষ্টা করেও উপযুক্ত ঔষুধ বের করতে পারে নি। তাই করোনা থেকে বাঁচার জন্য সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা একমাত্র উপায়।
কিন্তু এই ঈদকে সামনে রেখে লকডাউন শিথিল করে শর্ত সাপেক্ষে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান খোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।
কিন্তু লকডাউন শিথিল করার ফলে দোকান চালু হয় কিন্তু স্বাস্থ্যবিধি না মেনে অবাধে ক্রয়-বিক্রয় চললে মাননীয় জেলা প্রশাসক ড. এ. কে. এম. কামরুজ্জামান সেলিম ১৭ মে এক গণ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কাপড়ের দোকান, তৈরি কাপড়ের দোকান, জুতার দোকান ও কসমেটিকস এর দোকান বন্ধের জন্য নির্দেশ দেন।
কিন্তু এইসব দোকানদার প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে তাদের রমরমা ব্যাবসা চালিয়ে যাচ্ছে।
দোকানদার গণ এখন অভিনব কায়দায় তাদের বিক্রয় চালিয়ে যাচ্ছে। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দেওয়ার উদ্দেশ্যে দোকানদার গণ দোকানের শাটার বন্ধ রেখে দোকানের পাশে দাড়িয়ে থাকে আর দোকানের আশেপাশে কাউকে দেখলে, তাকে জিজ্ঞেস করে সে কিছু কিনবে কিনা? যদি হ্যাঁ বোধক উত্তর পায় তখন তাদের আস্তে করে দোকানের শাটার খুলে দোকানের ভিতরে ঢুকিয়ে আমার শাটার বন্ধ করে দেয়। আর দোকানের বন্ধ শাটারের ভিতরে চলে অভিনব কায়দায় বেচাকেনা।
এ যেন দোকানদার আর প্রশাসনের চোর-পুলিশ খেলা।
বার্তা প্রেরক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি












