ঘুমন্ত কুষ্টিয়া পৌরসভা নেই কোন কার্যক্রম

কুষ্টিয়া শহরকে বড় লোকের শহর বলা হয়। বলা হয় কুষ্টিয়া সংস্কৃতির রাজধানী। আর সেই রাজধানীর সদরের ১৮ নং ওয়ার্ড এর চিত্র এটি। গত ৫ বছর ধরে চলছে কুষ্টিয়া শহরের ড্রেনেজ নির্মাণ এর কাজ। আজও চলছে।
ড্রেন গুলো নির্মানের অজুহাতে বন্ধ হয়ে অপরিস্কার ডাস্টবিনে পরিণত হয়েছে!! এই করোনা ভাইরাসের প্রকোপের মাঝে যেখানে সব কিছু পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকার কথা সেটানে এলাকা ড্রেন গুলো মশার আতুরঘর হিসেবে তৈরি হচ্ছে।
করোনার ভয়ে ঘরে উঠে গেছে পৌরসভার কার্যক্রম। বাড়ছে এডিস মশার বিস্তার। কুষ্টিয়া পৌরসভা থেকে প্রতিদিন বাড়ী বাড়ী থেকে নোংরা নেওয়ার থাকলেও সেখানে আসে এক দিন পর। আর এমন অবস্থা কুষ্টিয়া পৌরসভার বেশির ভাগ ওয়ার্ড গুলো।
শহরের অলিগলিতে রিকশা নিয়ে চলতে গেলে ঝাকুনিতে হুমড়ি খেয়ে পড়ার উপক্রম হয়।আর বৃষ্টি হলে কুষ্টিয়া শহরের প্রতিটা রাস্তা হয় সমুদ্র সৈকত। এতো গেলো বৃষ্টির পানি জমা আর ড্রেনেজ ব্যবস্থার কথা।পৌরসভার যে কার্যক্রম তার হিসাব কসতে গেলে ভরে যাবে অভিযোগের পাতা।বিষয় গুলো সবই জানা আছে কুষ্টিয়া পৌরসভার মেয়র সাহেবের। কিন্তু তিনি জানলেও বুঝলেও তার মনে থাকেনা কিছুই। কারণ তিনি চড়ের দামী গাড়িতে এতে জনগণের কষ্ট বোঝার কোন উপায় থাকে না তার।কুষ্টিয়া শহরের ১৮ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সাহেব কে বার বার এলাকার নোংরা পরিস্কার করার তাগিদ দেওয়া হলেও তিনি জাগেন নি কারণ এখন চলছে ত্রাণ গোছানোর কাজ।
এই চড়ম দূর্ভোগের মাঝে নাকে কাপড় আর পায়ের কাপড় তুলে চলাফেরা করছে কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৮ নং সহ আরও বিভিন্ন এলাকার মানুষ। তাদের বক্তব্য প্রতিমাসে কর সহ সব বিল গলা টিপে তুলে নেওয়া হয় কিন্তু কেন পূরো সুবিধা আমরা পায় না।
দ্রুত এই নোংরা পরিবেশের থেকে নিস্তার চাই এলাকার মানুষ গুলো।
বার্তা প্রেরক
সাইফুল আলম খান জোয়ার
কুষ্টিয়া, প্রতিনিধি

মন্তব্য করুনঃ

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন