শেরপুরে বোর মৌসুমে বাম্পার ফলন

শেরপুর জেলাধীন ঝিনাইগাতী উপজেলায় এবারের বোর মৌসুমে বাম্পার ফলন হয়েছে। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে প্রায় অধিকাংশ ধান পাকতে শুরু করেছে। শিলাবৃষ্টি না হওয়ায় এবার আশানুরূপ ধান ঘরে তুলতে পারবে কৃষক। ঝিনাইগাতী উপজেলার সীমান্তবর্তী (রাংটিয়া, নয়া রাংটিয়া, শালচূড়া, সন্ধ্যাকুড়া, নলকুড়া, মানিককুড়া, হলদীগ্রাম) গ্রাম গুলো কিছু দিন আগেও পানির অভাবে বোর আবাদ খুব একটা হতো না। গুটি কয়েকজন কৃষক ভূ-গর্ভের পানি ব্যবহার করে বোর আবাদ করতো। কিন্তু এতে খরচ হতো অনেক বেশি।

বতর্মান সরকার ভূ-পৃষ্ঠের উপরিভাগের পানি ব্যবহারের জন্য রাবার ড্যাম প্রকল্পের অংশ হিসেবে মহারশী নদীর উপর রাবারড্যাম প্রকল্প স্থাপন করেছে। রাবার ড্যাম প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর থেকে বছর বছর বাড়তে থাকে বোর আবাদের পরিমাণ। শত শত একর জমি এখন ইরি-বোর আবাদের আওতায় এসেছে। ঝিনাইগাতীর মাঠে তাকালে অনাবাদী জমি পাওয়া দুষ্কর। এতে বোর আবাদের খরচও কমেছে অনেকাংশেই। এই মৌসুমে ছোট-খাটো ঝড়ো হাওয়া বইলেও কাল-বৈশাখী ঝড় এখনো হানা দেয়নি ঝিনাইগাতী অঞ্চলে। ধানের গর্ভাবস্থা থেকে শুরু করে ধান কাটা পযর্ন্ত সব চেয়ে বড় ভয় থাকে শিলা বৃষ্টির। এখন পযর্ন্ত আল্লাহর রহমতে কোন শিলাবৃষ্টিও হয়নি। তাই কৃষকের মুখে হাসি দেখা যাচ্ছে।

তবে অন্যান্য অঞ্চলের মতো ঝিনাইগাতীতেও ধান কাটার শ্রমিক সংকট রয়েছে বলে যানা স্থানীয় কৃষকগণ। ঝিনাইগাতী উপজেলায় ধান কাটার শ্রমিক বেশির ভাগই আসে বাইরে থেকে। করোনা ভাইরাসের জন্য দেশজুরে চলছে লকডাউন। তাই বাইরে থেকে শ্রমিক না আসলে শ্রমিক সংকট চরমে উঠতে পারে বলে কৃষকদের ধারণা। অনেকেই তাই সম্পূর্ণ পাকার আগেই ধান কাটা শুরু করেছে। আবহাওয়া ঠিক-ঠাক থাকলে আশানুরূপ ফসল ঘরে তুলার আশার কথা বলছে কৃষকরা।

বার্তা প্রেরক
আল মাহমুদ আলম
ঝিনাইগাতী (শেরপুর) প্রতিনিধি

মন্তব্য করুনঃ

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন