অর্থনীতিতে মন্দাভাব ও বেকারত্ব কাটিয়ে উঠতে শ্রম মন্ত্রণালয় স্বাস্থ্য বিধি মেনে পোশাক ও শিল্প কারখানা খোলার সিদ্ধান্ত নেয় ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইতে।
এ মর্মে পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিবকে চিঠি পাঠিয়েছেন। একই সিদ্ধান্ত নিয়েছে পোশাক শিল্প মালিকদের অপর সংগঠন বিকেএমইএ। সে লক্ষ্যে চট্টগ্রামে ৯০ শতাংশ গার্মেন্টস ও শিল্প কারখানা খুলে দেয়া হয়েছে।
প্রশ্ন হচ্ছে, কোনো ধরনের স্বাস্থ্য পরিকল্পনা ছাড়াই লগডাউন ভেঙ্গে ব্যবসা-বানিজ্য, গার্মেন্টস ও শিল্প প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া কতটা যৌক্তিক?
International Labour Organisation (ILO/আইএলও) থেকেও বিবৃতি দেওয়া হয়েছে যে বাংলাদেশে পোশাক কারখানা খুলে দেওয়ার মাধ্যমে শ্রমিকদেরকে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ফেলা হয়েছে।
চট্টগ্রামে সংক্রমণ শুরুর পর স্বাস্থ্য বিভাগ-মেট্রোপলিটন পুলিশ আক্রান্ত এলাকা লকডাউন করে এবং আক্রান্ত ব্যক্তিদের আইসোলেশনে পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছে। খেয়াল করলেই দেখবেন, এ কারণে নির্দিষ্ট কিছু এলাকা ছাড়া নগরের অন্যান্য এলাকাগুলো সুরক্ষিত ছিল।
কিন্তু এখন ইপিজেডসহ পোশাক কারখানা খুলে দেয়ার পর শ্রমিকরা যে হারে আসা-যাওয়া করছেন, তাতে ভাইরাসের কন্ট্রাক্ট ট্রেসিং করে সম্ভাব্য রোগীদের শনাক্তের কোনো পথ রইল না। এদের মাঝে কোনোভাবে একজন আক্রান্ত হলেই রোগটা ছড়িয়ে যাবে সারা শহরে।
বাংলাদেশে ও জেলা ও উপজেলা ভিত্তিক করোনা রোগীর ‘জিরো এরিয়া’ নিশ্চিত করে লগডাউন শিতিল করা উচিত।
বার্তা প্রেরক:
মোঃ মামুন
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি












