কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলা এক শস্যশ্যামলা রমনী ধরনী। এখানকার চরাঞ্চল থেকে উজান,ভাটি সব আবাদী জমিতে চাষীরা তাদের স্বপ্নের বীজ রোপন করে থাকে। যদি কোন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হয় তাহলে কৃষকরা মৌসুম শেষে অনেকটা অর্থনৈতিক লাভের মুখ দেখে।
এ মৌসুমেও এর ব্যত্যয় ঘটেনি। জানা যায়, এ মৌসুমে এ অঞ্চলে তেমন কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা যায়নি এবং লোডসেডিং কম হওয়ায় সময়মতো কৃষকরা জমিতে সেচ দিতে পেরেছেন।
তাছাড়া কৃষকরা এই মহামারিতেও তাদের আবাদী জমির পরিচর্যার কোন কমতি রাখেনি। তারা সময়মতো জমিতে পানি,সার, ওষুধ প্রয়োগ করেন।
দলদলিয়া ইউনিয়নের বর্গা চাষী মোঃ নূর মোহাম্মদ এর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, আমি দেড় বিঘা জমিতে ধান চাষাবাদ করেছি। আল্লাহর রহমতে ধানের ফলন ভালো হয়েছে। আশা করি ভালো একটা লাভ পাবো।
তাছাড়া অন্যান্য কৃষকরা বলেন, এবার মোটামুটি ফলন ভালো হয়েছে, কিন্তু ধানের ন্যায্য মূল্য পাবো কিনা তা জানিনা।যদি সরকার ন্যায্য মূল্য দেয় তাহলে অনেকটা অর্থনৈতিক লাভোবান হবো।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, এ মৌসুমে ২৮ হাজার ১শ ২৯ হেক্টর আবাদি জমির মধ্যে ২১ হাজার ৫শ ৭৫ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড,উফসি,ও স্থানীয় জাতের ধান চাষাবাদ করা হয়। আর বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সমাধান চেয়ে কৃষকরা আমাদের সাথে যোগাযোগ করে এবং সাথে সাথে আমরা সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করি। এ মৌসুমে ফলন ভালো হওয়ায় আমরা কৃষকের মুখে হাসি দেখতে পাচ্ছি।
বার্তা প্রেরক:
মোঃ সাহেব আলী
উপজেলা (কুড়িগ্রাম) প্রতিনীধি












