করোনা পজেটিভ ঢাকা ফেরত ওষুধ কোম্পানিতে কাজ করা বগুড়া সদরের ফুলতলা এলাকার ৪০ বছর বয়সী সেই ব্যক্তি আত্মগোপন করেছেন তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আগামীকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তার ফলাফল করোনা পজেটিভ জানার পর থেকে তিনি তার মোবাইল ফোন বন্ধ করে রেখেছেন। কেউ তার ঠিকানা বলতে না পারায় চিকিৎসকরা তাকে চিকিৎসা দেওয়া কিংবা তার বাড়ি লকডাউন এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্য হোম কোয়ারেন্টাইন রাখার জন্য শনাক্ত করতে পারছে না। এই দিকে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর বিষয়টি শাজাহানপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কে খতিয়ে দেখার জন্য নির্দেশ দিয়েছে।
ফুলতলা ওই বাসিন্দা ঢাকার একটি ওষুধ কোম্পানিতে কাজ করত। গত ১০ এপ্রিল বগুড়ায় আসেন , আসার পর থেকে জ্বর এবং কাশি থাকা পরিবারের সদস্যদের পরামর্শ গত ২৬ এপ্রিল তিনি শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কোভিট ১৯ -পিসিআর ল্যাবে নমুনা দেন। গত ২৮ তারিখ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তার রিপোর্ট পজিটিভ আসে তারপর থেকে তিনি আত্মগোপনে আছেন তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। পরীক্ষার সময় তিনি তার রিপোর্ট কার্ডে বাড়ি ফুলতলা এবং মোবাইল ফোন নাম্বার দেন। স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, ওই ব্যক্তির বগুড়া শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে তার নমুনা দিয়েছিলেন, এবং রিপোর্টের জন্য মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের বারবার যোগাযোগ করেছেন, রিপোর্ট পজিটিভ জানার পর তিনি তার মোবাইল ফোন বন্ধ করে রেখেছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার মোতারব হোসেন জানান, ওই ব্যক্তির চিকিৎসা জন্য এবং সামাজিকভাবে সংক্রমণ রোধে তার বাড়ি লকডাউন করার খুব জরুরী , তিনি আরো বলেন নমুনা সংগ্রহের জন্য ওই ব্যক্তি স্বাস্থ্যদপ্তরের নির্ধারিত ফরমে যে তথ্য দিয়েছেন সেটি সরবরাহ করতে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ কে অনুরোধ করা হয়েছে।
এইদিকে শাজাহানপুর থানার ওসি আজিম উদ্দিন জানান স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে আমাদেরকে বিস্তারিত তথ্য দিলে হয়তো আমরা ওই ব্যক্তির সন্ধান করতে পারব, কিন্তু সেই তথ্য এখনো পর্যন্ত থানা তে দেওয়া হয়নি ।
এছাড়াও বগুড়া জেলাকে পুরোপুরি লকডাউন ঘোষণা করার পরেও অনেকেই মানছেনা লকডাউন। যত্রতত্র ভিড় বাজারে গিয়ে মানছে না সামাজিক দূরত্ব।
বার্তা প্রেরকঃ
রাজিবুল ইসলাম রক্তিম
বগুড়া প্রতিনিধি












