মাটিরাঙ্গায় খাদ্যসহায়তা পাওয়া পরিবারগুলাের অবস্থান করছে না বাসাবাড়ীতে

সারাবিশ্বে আতঙ্ক সৃষ্টিকারী করোনাভাইরাস ( কোভিড – ১৯ ) এর সংক্রমণ প্রতিরােধে বাংলাদেশেও রাজধানী ঢাকাসহ জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে গ্রহন করা হয়েছে নানা পদক্ষেপ। সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়, সেনাবাহিনী, নৌ বাহিনী ও পুলিশ বাহিনীসহ প্রশাসনের বিভিন্ন সংস্থা দিনরাত মহামারী এই ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে দেশের জনগনকে বাঁচাতে কাজ করছে নিরন্তর।
তারই ধারাবাহিকতায় জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলাতে বন্ধ ঘােষনা করা হয়েছে সব ধরনের মিছিল, মিটিং ও গণজমায়েত সৃষ্টি হয় এমন সব ধরনের কার্যক্রম। বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে পাড়া মহল্লার দোকানও। উপজেলা। প্রশাসন থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপজেলার প্রতিটি মানুষকে নিজ নিজ বাড়ীতে অবস্থান করতে।
সামাজিক দুরত্ব বজায় ও স্বাস্থ্য বিধি মেনে নিত্যপ্রয়ােজনীয় দ্রব্য ও ঔষধ সংগ্রহের মতাে জরুরী কাজ ছাড়া বাকী সময়টুকুন বাড়ীতে অবস্থান করতে বলা হয়েছে।
আর এ সময় দিনমজুর, অসহায় ও হতদরিদ্রদের বাড়ীতে থাকার জন্য সরকার খাদ্যসহায়তা প্রদান করেন।
কিন্তু দেখা গেছে, মাটিরাঙ্গা উপজেলা সদর এলাকার বাহিরে ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারি খাদ্যসহায়তা পাওয়া পরিবারগুলাের সদস্যরা অবস্থান করছে না বাসাবাড়ীতে।
বেশীর ভাগই মহল্লার দোকানে বা বিকালে অযথা ঘােরাঘুরি করছে প্রতিবেশীদের সাথে এখানে ওখানে। বাহিরে ঘুরলেও সামাজিক দুরত্ব মানাসহ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক ঘােষিত করেনা পরিস্থিতি ঘােষিত স্বাস্থ্যবিধি মানছে না কেউ। ব্যবহার করছে না মাস্ক, ঘন্টায় ঘন্টায় ধৌত করছে সাবান দিয়ে হাত এমনি মানছে না হাঁচি- কাশি শিষ্ঠাচার। সরকারি নির্দেশনা না মানার মধ্যে তবলছড়ি ও তাইন্দং ইউনিয়নের বাসিন্দা ছাড়াও রয়েছে অন্যান্য ইউনিয়নের বেশীরভাগ মানুষ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, যুবক শ্রেণিসহ এ সব ইউনিয়নের প্রায় ৯০ ভাগ মানুষ- ই মানছে না স্বাস্থ্যবিধি।
বার্তা প্রেরক: 
মাটিরাঙ্গা উপজেলা,প্রতিনিধি

মন্তব্য করুনঃ

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন