শাহজাদপুরের ৫ হাজার শ্রমিক গেল ধান কাটতে

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানদের ছাড়পত্র নিয়ে শাহজাদপুর থেকে ৫ হাজার শ্রমিক ধান কাটতে হাওর ও চলনবিল অঞ্চলে গেছেন। তাদের সাস্থ্য পরীক্ষা করেই ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সাস্থ্য বিভাগ।

উপজেলা কৃষি বিভাগ ও স্থানীয় ও ইউপি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহত্তর সিলেট ও রাজশাহী জেলার বিভিন্ন অঞ্চলের রোবো ধান ঘরে তোলার এখনই সময়। করোনারভাইরাসের কারণে দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলাতে লকডাউন চলমান। ফলে ধান কাটার ভরা মৌসুমে এসব এলাকাতে প্রচন্ড ধান কাটা শ্রমিক সংকট দেখা দেয়। এ নিয়ে কালের কণ্ঠে একাধিকবার খবরের শিরোনাম হয়। এর পর স্থানীয় কৃষিবিভাগ সংকট মোকাবেলায় উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাথে মিটিং করে সিন্ধান্ত নেন, যে সকল এলাকায় শ্রমিক সংকট রয়েছে সে স্থানে শ্রমিক পাঠিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তা সমাধানের।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ মো. শামসুজ্জোহা জানান, ধান কাটতে হাওর অঞ্চলেই শাহজাদপুর থেকে দুই হাজারের বেশি শ্রমিমকে ছাড়পত্র দিয়ে যেখানে পাঠানো হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল ছালাম জানান, চলনবিলের নাটোর জেলাসহ বগুড়া রাজশাহীর বিভিন্ন গ্রামগঞ্জে ধান কাটতে শাহজাদপুর থেকে যে সকল শ্রমিক পাঠানো হয়েছে তাদের নিজ নিজ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের সুপারিশের মাধ্যমে পাঠানো হয়। তিনি আরো জানান, চলনবিল এলাকাতে আরো তিন হাজার ধান কাটা শ্রমিক পাঠানো হয়েছে।

এদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম খান জানান, স্বাস্থ্য বিভাগের মাঠকর্মীদের মাধ্যমে যাচাইয়ের পর যে সকল শ্রমিক এ মুহূর্তে করোনা ঝুঁকিমুক্ত কেবল তাদেরকে ধান কাটতে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য করুনঃ

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন