কোভিড ১৯ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১৭ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সমন্বয়ে একটি জাতীয় টেকনিকাল পরামর্শক কমিটি গঠন করেছে সরকার। এই কমিটি সরকারকে কোভিড-১৯ প্রতিরোধসহ বিভিন্ন আনুষঙ্গিক বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করবেন। শনিবার (১৮ এপ্রিল) এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
এর আগে গত ২৮ মার্চ সরকারের পক্ষ থেকে ৮ জন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি জনস্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়। উভয় কমিটি নিজেদের মধ্যে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করে সরকারকে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ প্রদান করবেন।
নতুন কমিটি হাসপাতালের সেবার মান, চিকিৎসা সেবাকর্মীদের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও উৎসাহ প্রদান, ভ্যাকসিন সংক্রান্ত গবেষণা ইত্যাদি বিষয়ে তাদের বিশেষজ্ঞ মতামত দিয়ে সরকারের কাজে সহায়তা করবে।
কমিটির সদস্যরা হলেন- বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এবং সিনিয়র শিশু বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, বিএসএমএমইউর প্রাক্তন উপাচার্য প্রফেসর ডা. নজরুল ইসলাম (ভাইরোলোজিস্ট), বাংলাদেশ ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি প্রফেসর ডা. এ কে আজাদ খান, সিনিয়র প্রসূতি ও স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডা. শাহলা খাতুন, বিএসএমএমইউর প্রাক্তন ভিসি গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. মাহমুদ হাসান, বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, বিএসএমএমইউর প্রাক্তন উপাচার্য প্রফেসর ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত (নাক, কান, গলা বিশেষজ্ঞ), স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ডা. ইকবাল আর্সলান, সিনিয়র প্রসুতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ও অবসটেরিকেল অ্যান্ড গাইনোকলজিকেল সোসাইটি অব বাংলাদেশের সাবেক সভাপতি প্রফেসর ডা রওশন আরা বেগম, আইসিডিডিআর, বিএর মেটারনাল অ্যান্ড চাইল্ড হেলথ রিসার্চের সিনিয়র পরিচালক ডা. শামস এল আরেফিন, সিনিয়র এনেসথিওলজিস্ট প্রফেসর ডা. খলিলুর রহমান, সিনিয়র মেডিসিন স্পেশালিস্ট প্রফেসর ডা. তারিকুল ইসলাম, বিএসএমএমইউর মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনোলজি বিভাগের প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. হুমায়ন সাত্তার, জাতীয় ক্যান্সার সদস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগের প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ডা. মো. গোলাম মোস্তফা, রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রাক্তন পরিচালক প্রফেসর ডা. মাহমুদুর রহমান, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের প্রাক্তন পরিচালক প্রফেসর ডা. মো. আব্দুল মোহিত, ও রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক প্রফেসর ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, তারা সরকারকে কোভিড-১৯ প্রতিরোধ, হাসপাতালে সেবার মান বৃদ্ধি, যে সকল চিকিৎসক স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করছেন তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারী চিকিৎসকসহ অন্যান্যদের উৎসাহ প্রদানে কী কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায় ও কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন সংক্রান্ত গবেষণার বিষয়ে পরামর্শ দেবেন।












