ফরিদগঞ্জে ইউ পি সদস্য জনগনের জন্য বরাদ্দকৃত চাল বিক্রি করে দিয়েছে।

ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধিঃ কামরুজ্জামান

উপজেলার ৮নং পাইকপাড়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড সদস্য এমরান হোসেন ১৪৭ বস্তা চাল জনগনের মাঝে বিক্রি করে দিয়েছে। এ নিয়ে আজ শুক্রবার সারাদিন ব্যাপক কানাঘূষা ও গুঞ্জন চলছে। ৩০ কেজির ১৪৭ বস্তা চাল ৮০০টাকা দরে বিক্রি করে।

স্থানীয়দের অভিযোগ সরকার গরীবের জন্য চাল বরাদ্দ দিলেও নির্বাচীত প্রতিনিধিরা তা জনগনের মাঝে বন্টন না করে আত্মসাৎ করছে।

সরেজমিনে ৮নং ইউনিনের শাহাপুর গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, মোবারক হোসেন বেপারী নেছার আহাম্মদ, রিয়াদ হোসেন, ফারুক হোসেন, কামাল হোসেন , দিলু তালুকদার সহ অনেকেই সদস্য এমরান হোসেনের নিকট থেকে চাল কিনেছে। জানতে চাইলে উল্লেখিত সকলেই বলে, কিসের চাল আমরা জানি না, কম দামে পেয়েছি তাই কিনেছে। সকলেই স্বীকার করে বলেছে আমরা ৩০ কেজির প্রতি বস্তা ৮০০টাকা দরে কিনেছি।
সদস্য এমরান হোসেন বিক্রির কথা স্বীকার করে বলেছে, এগুলি (কাবিখা) কাজের বিনিময়ে খাদ্য প্রকল্পের চাল। এলাকার একটি কাঁচা রাস্তা মেরামতের জন্য ৪টন ৪০০কেজি চাল কাজের অনুকুলে বরাদ্দ পায়। সেনাবাহিনীর তল্লাশীর ভয়ে গরে মজুদ না রেখে বিক্রি করে দিয়েছে। এ বিষয়ে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বলেন, চাল বিক্রি করেছে কাজ করা হবে। এখানে দুর্নিতী বা অনিয়মের কিছু নেই।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিল্টন দস্তিদার জানায়, রাস্তা মেরামতের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল এটা সত্য। দেশের ক্রান্তিকালের জন্য কাজ হয়েছে কি না আমরা তদারকী করতে পারি নাই। যদি অনিয়ম হয়ে থাকে তবে, প্রকল্প কমিটির সভাপতির উপর সকল দায় দায়িত্ব বর্তাবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিউলি হরি বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেকবো এবং আমি প্রকল্প বায়স্তবায়ন কর্মকর্তা মিল্টন দস্তিদারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিব।

মন্তব্য করুনঃ

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন