করোনা পরিস্থতিতে পরিবহন ও জনবল সঙ্কটে নওগাঁর মোকাম থেকে আগের তুলনায় প্রায় ৭০ ভাগ কমে গেছে বিভিন্ন স্থানে চালের সরবরাহ। ট্রাক চালকরা বলছেন, পথেঘাটে নানা সমস্যাসহ করোনা ঝুঁকিতে বের হচ্ছেন না তারা।
মিল মালিকদের দাবি, জনবল সঙ্কটে কমেছে উৎপাদন আর পরিবহন সমস্যায় চাল সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। শুধু তাই নয়, জেলাতে কেজি প্রতি ২ টাকা বেড়েছে সব ধরনের চালের দাম।
নওগাঁয় রয়েছে ৫৬টি অটো রাইস মিল ও সাড়ে ৩শ’ সচল হাসকিং মিল । করোনা ভাইরাস পরিস্থিতে জনবল সঙ্কটে এসব মিলে চাল উৎপাদন প্রায় ৬০ ভাগ কমে গেছে । অন্যদিকে পরিবহন জটিলতায় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় চাল সরবরাহ আগের তুলনায় ৩০ ভাগে নেমে এসেছে।
ট্রাকচালকরা বলছেন, আগে দুশ’ থেকে আড়াইশ’ ট্রাক চাল সরবরাহ করলেও এখন তা ২৫ থেকে ৩০ ট্রাকে নেমে এসেছে। এতে জীবনযাত্রায় প্রভাব পড়েছে ট্রাক শ্রমিকদের।
চাল উৎপাদন কমে যাওয়ায় আড়তগুলোতে চালের দর কেজি প্রতি দুই টাকা বেড়ে গেছে । বর্তমান পরিস্থিতিতে জনবল সঙ্কটে রাইস মিলে উৎপাদন কমে যাওয়া ও সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় দাম বেড়েছে বলে দাবি কল মালিক সমিতি ও ব্যবসায়ীদের।
আপদকালীন এ দুর্যোগে ব্যবসায়ীরা অধিক মুনাফার সুযোগ নিচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখার দাবি জন প্রতিনিধির । আর চালের বাড়ায় অসন্তুষ্ট সাধারণ ক্রেতারা।
মিল মালিক সমিতির তথ্য মতে, গত ২৫ মার্চ পর্যন্ত নওগাঁর মোকাম থেকে গড়ে প্রতিদিন ৩২শ মেট্রিক টন চাল রাজধানীসহ বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ হয়েছে। বর্তমানে সরবরাহ ৭শ’ মেট্রিক টনে নেমে এসেছে।












