শেবাচিমে করোনা পরীক্ষায় মেশিন পাঠানো হলেও দক্ষ শেবাচিমে জনবল

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল (শেবাচিমে) কলেজে করোনা পরীক্ষার জন্য পলিমারেজ চেইন রিঅ্যাকশন- পিসিআর মেশিন পাঠানো হলেও নেই প্রশিক্ষিত ও দক্ষ জনবল। এতে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। প্রয়োজনীয় জনবলের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে বলে জানান মেডিকেলের অধ্যক্ষ। এ ব্যাপারে অচিরেই সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য।

গত ৩০ মার্চ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজে পৌঁছায় করোনাভাইরাস পরীক্ষার পিসিআর মেশিন। এরপর থেকে দ্রুত গতিতে চলছে পিসিআর স্থাপনের কাজ।

কিন্তু পিসিআর চালানোর জন্য যথেষ্ট দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনবল নেই বরিশালে। প্রশিক্ষিত জনবল না হলে সংক্রামণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে বলে দাবি করেন বরিশাল শেবাচিম এর মাইক্রোবায়োলজি বিভাগীয় প্রধান ডা. এটিএম জাহাঙ্গীর হুসাইন।

তিনি বলেন, পিসিআর পরিচালনার ক্ষেত্রে অত্যন্ত ডেডিকেটেড এবং দক্ষ জনবল দরকার হয়। না হলে সংক্রামণটি ছড়িয়ে পড়তে পারে।

এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় জনবলের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে অবহিত করা হয়েছে বলে জানালেন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের প্রফেসর ডা. অশিত ভুষন দাস।

স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নের (অব.) জাহিদ ফারুক শামিম জানান, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাথে কথা হয়েছে অচিরেই সমস্যার সমাধান হবে।

মেডিকেলে মাইক্রোবায়োলজি বিভাগে একজন চিকিৎসক ও দুজন টেকনিশিয়ান আছেন। পিসিআর পরিচালনায় এদের নেই কোন অভিজ্ঞতা। দরকার অভিজ্ঞ কমপক্ষে ৩ জন চিকিৎসক এবং ৫ থেকে ৬ জন টেকনিশিয়ান।

মন্তব্য করুনঃ

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন