স্বাস্থ্যনিরাপত্তা সর্বাগ্রে, এরপর আসে ব্যবসা পরিচালনা। প্রাণঘাতী ও ছোঁয়াচে নভেল করোনাভাইরাসের (কভিড-১৯) বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য সামাজিক দূরত্ব কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে এবং মানুষকে পারস্পরিক সহানুভূতি ও সহমর্মিতা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। কভিড-১৯-এর কারণে সরকারের ঘোষিত সাধারণ ছুটি শেষ হওয়ার পর মানুষের জীবনযাত্রা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও দেশের অর্থনীতি যখন পরিবর্তিত ও নতুন বাস্তবতার সঙ্গে মানিয়ে নেয়া শুরু করেছে, তখন উপরিউক্ত নীতির আলোকে প্রাইম ব্যাংক গ্রাহক ও কর্মীবাহিনীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে।
৩১ মে দেশব্যাপী সব অর্থাৎ ১৪৬টি শাখা চালু হলেও সম্মুখ সমরের এই কর্মকর্তাদের স্বাস্থ্যনিরাপত্তার স্বার্থে প্রতিটি শাখায় ন্যূনতম কর্মীর উপস্থিতিতে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে। প্রতিটি শাখায় স্বাস্থ্যনিরাপত্তায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। সরকারের ঘোষিত সাধারণ ছুটি শেষ হওয়ার পর ফ্রন্টলাইনে অর্থাৎ শাখায় সরাসরি যারা গ্রাহকদের সেবা প্রদান করেন, তাদের শুধু ন্যূনতম সংখ্যককে শাখায় উপস্থিত হয়ে কাজ করার অনুমতি দেয়া হয়েছে, বাকিরা বাসা থেকে কাজ করছেন। এছাড়া সাপোর্ট ফাংশনের কর্মকর্তাদের বাসা থেকে কাজ করার অনুমতি দিয়েছে ব্যাংকটি। নিরাপত্তার স্বার্থে সন্তানসম্ভবা, জটিল রোগে আক্রান্ত ও বয়োজ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের অবশ্যই বাসা থেকে অফিস করতে হবে। এ উদ্যোগ কর্মকর্তাদের প্রতি ব্যাংকের যত্ন ও সহমর্মিতার প্রতিফলন বহন করে।
ব্যাংকটি দেশব্যাপী সব অফিসে পরিচ্ছন্নতা ও জীবাণুনাশক কার্যক্রম, নিরাপত্তাসামগ্রী বিতরণ ও কঠোর স্বাস্থ্যবিধি বাস্তবায়ন করছে। অধিক ঝুঁকির মুখোমুখি কর্মকর্তাদের অ্যাপ্রন, ফেস শিল্ড, হেড কভার এবং অন্যদের মাস্ক, গ্লাভস ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার দেয়া হয়েছে। পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে অনেক কর্মীকে জীবাণুনাশের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। মাস্ক ছাড়া ব্যাংকের কোনো অফিসে কাউকে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না। অফিস করার সময় সহকর্মী ও গ্রাহকদের থেকে ছয় ফুট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। দলবদ্ধভাবে চা বা লাঞ্চ বিরতিতে যাওয়া এড়াতে বলা হয়েছে। সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে বাসায় রান্না করা খাবার আনার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। করোনাভাইরাসবিষয়ক যেকোনো প্রয়োজনে তাত্ক্ষণিক সহায়তার জন্য কুইক রেসপন্স টিমকে ২৪ ঘণ্টা সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।
এ স্বাস্থ্যনিরাপত্তা কার্যক্রম সম্পর্কে প্রাইম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রাহেল আহমেদ বলেন, সম্মানিত গ্রাহক ও কর্মকর্তাদের সুস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তায় প্রাইম ব্যাংক সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে। এজন্যই আমরা এই মহামারীর শুরু থেকেই স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার জন্য ব্যাপক কার্যক্রম গ্রহণ করি। সাধারণ ছুটি শেষ হওয়ার পর যখন আমাদের সব শাখায় কার্যক্রম শুরু হয়েছে, তখন আমরা এ স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা কার্যক্রমের পরিধি ও ব্যাপকতা আরো বাড়িয়েছি।
বিজ্ঞপ্তি












