করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের সম্মুখযোদ্ধা বাংলাদেশ পুলিশের আরও এক সদস্য দায়িত্ব পালনকালে করোনাক্রান্ত হয়ে জীবন উৎসর্গ করেছেন। তিনি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করা পুলিশের ষষ্ঠ সদস্য।
বুধবার (৬ মে) সকালে রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) সোহেল রানা জানান, রঘুনাথ রায়ের করোনা ভাইরাস ধরা পড়ার পর তিনি রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) স্থানান্তর করা হয়। বুধবার সকাল ৮ টা ২০ মিনিটে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
জীবন উৎসর্গকারী পুলিশযোদ্ধা শ্রী রঘুনাথ রায়ের গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলায়। তিনি স্ত্রী, এক কন্যা এবং এক ছেলেসহ বহু আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। পুলিশের ব্যবস্থাপনায় পুলিশযোদ্ধা শ্রী রঘুনাথ রায়ের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। সেখানে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী তার মৃত্যু পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হবে।
এআইজি সোহেল রানা বলেন, করোনাযুদ্ধে শ্রী রঘুনাথ রায়ের মৃত্যুতে বাংলাদেশ পুলিশ গভীরভাবে শোকাহত। একইসঙ্গে দেশের মানুষের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে যেয়ে সহকর্মীর এমন আত্মত্যাগের জন্য বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিটি সদস্য গর্বিত।
এ নিয়ে চলমান করোনাযুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশের ৬ জন গর্বিত সদস্য আত্মোৎসর্গ করেছেন। বাকি পাঁচজন হলেন- ডিএমপির কনস্টেবল জসিম উদ্দিন (৪০), এএসআই মো. আব্দুল খালেক (৩৬), ট্রাফিক বিভাগের কনস্টেবল মো. আশেক মাহমুদ (৪৩), পিওএম’র এসআই সুলতানুল আরেফিন এবং এসবির এসআই নাজির উদ্দীন (৫৫)।












