ভূরুঙ্গামারী সরকারী কলেজে প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে কোয়ারান্টাইনে থাকা মোট ৫৫ ব্যক্তির মধ্যে (০৪ মে) মঙ্গলবার দ্বিতীয় ধাপে আরও ২৬ জনকে শর্ত সাপেক্ষে বাড়ি ফিরে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে উপজেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটি। এদের মধ্যে ২৩ জনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারান্টাইনের মেয়াদ ১২ দিন পূর্ণ হয়েছে এবং বাকী ০২ দিন তারা সংশ্লিষ্ট এলাকার ইউপি মেম্বারদের তত্বাবধানে নিজ বাড়িতে হোম কোয়ারান্টাইনে থাকবেন বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। বাকী ০৩ জন একই পরিবারের সদস্য এবং তাদের বাড়ির অভিভাবক হঠাৎ করে গুরুত্বর অসুস্থ হওয়ায় মানবিক কারণে তাদেরকেও ছেড়ে দেয়া হয়।
তবে প্রশাসনের নজরদারিতে নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত তারা হোম কোয়ারান্টাইনে থাকবেন। উল্লেখ্য, উক্ত ০৩ ব্যক্তি (০৪ মে) প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারান্টাইনে যুক্ত হয়েছিলেন। এব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ এএসএম সায়েম জানান, প্রথম ২৩ জনের মধ্য থেকে সংগ্রহীত নমুনার ১০ জনের ফলাফলে ০৫ জনের দেহে করোনা সনাক্ত হয়নি। বাকী ০৫ জনের ফলাফল আগামীকাল পাওয়া যেতে পারে। তবে,
যেহেতু তাদের সকলেই সুস্থ আছে এবং কোয়ারান্টাইনের মেয়াদ প্রায় শেষ হয়ে যাওয়ায় তাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে। কোয়ারান্টাইন মেয়াদ শুরুর এক দিন পরেই ০৩ জনকে ছেড়ে দেয়া হলো কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফিরুজুল ইসলাম ও ভূরুঙ্গামারী থানা ইনচার্জ মুহাঃ আতিয়ার রহমান জানান তাদের বাবা হঠাৎ করে স্ট্রোক করায় মানবিক দিক বিবেচনায় তাদেরকে ছেড়ে দিয়েছি। তবে, তাদের পূর্ণাঙ্গ বায়োডাটা আমাদের সংরক্ষণে আছে। আমরা তাদেরকে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখবো। উল্লেখ্য এই নিয়ে মোট ৪০ জন ব্যক্তিকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারান্টাইন থেকে মুক্ত করা হলো।
আমিনুর রহমান
ভূরুঙ্গামারী কুড়িগ্রাম












