করোনাভাইরাস সংক্রমণের দিক থেকে এখনও শীর্ষে রাজধানী ঢাকা। দ্বিতীয় স্থানে নারায়ণগঞ্জ। এতদিন অন্য জেলাগুলোতে সংক্রমণের হার কম ছিল। কিন্তু শনিবারের নতুন তথ্য হচ্ছে- গাজীপুর, নরসিংদী ও কিশোরগঞ্জে দ্রুত বাড়ছে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী।
গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নতুন করে ৩০৬ জনের দেহে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়েছে। শনাক্তের ৪৯ শতাংশই যুবক। তাদের বয়স ২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ৯ জন। এ পর্যন্ত শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১৪৪ এবং মৃতের সংখ্যা ৮৪।
নতুন ৮ জনসহ সুস্থ হয়ে বাড়ি গেছেন ৬৬ জন। শনিবার রাত ৮টা পর্যন্ত ঢাকার ১১৫টি এলাকায় ৮৪৩ জনের দেহে ভাইরাসটির সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া সারা দেশের ৫৩ জেলায় প্রাণঘাতী করোনা ছড়িয়ে পড়েছে। এর মধ্যে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে ৩১ জেলা ।
এদিকে বিশ্বের অন্যান্য দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার বয়স্কদের মধ্যে বেশি হলেও বাংলাদেশে যুবক ও তরুণরাই বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। শুক্রবার পর্যন্ত যেখানে ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সী রোগী ছিল ৪০ শতাংশ, শনিবার তা ৪৯ শতাংশে পৌঁছেছে। মূলত সরকারি নির্দেশনা লঙ্ঘন করে সামাজিক দূরত্ব না মানা, কাজের খোঁজে শহরমুখিতাসহ অন্যান্য কারণে যুবকরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
শনিবার দুপুর আড়াইটায় দেশের কোভিড-১৯ সম্পর্কিত সার্বিক পরিস্থিতি জানাতে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। এতে জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা জানান, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এ নিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে মোট মৃতের সংখ্যা ৮৪ জন। এক দিনে নতুন করে আরও করোনা শনাক্ত হয়েছেন ৩০৬ জন। ৮ মার্চের পর এটাই এক দিনে সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড।
তরুণ ও যুবকদের মধ্যে সংক্রমণের হার বৃদ্ধির কারণ কী- এই প্রশ্নের জবাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) মেডিসিন ও লিভার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল যুগান্তরকে বলেন, পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি বয়স্ক লোকের বাস ইতালিতে।
বিপরীত দিকে বিশ্বে তরুণ জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশে, প্রায় ৫০ শতাংশ। সে কারণে ইতালিতে বয়স্ক আর বাংলাদেশে তরুণদের মধ্যে আক্রান্ত হার বেশি হতে পারে। কিন্তু বাংলাদেশে আক্রান্ত হার বেশি হওয়ার অন্য কয়েকটি কারণ আছে। প্রথমেই আসছে, কার্যকর লকডাউনের জায়গায় আমরা ফেল করেছি।
২৬ মার্চের আগে ১ কোটির বেশি মানুষ বাসে, লঞ্চে, ট্রেনে, ফেরিতে করে বাড়ি ফিরেছে। আবার ৪ এপ্রিল লাখ লাখ লোক ঢাকায় ফিরে এসেছে। এরা সবাই যুবক শ্রেণি। এই মাস-মুভমেন্ট (গণযাতায়াত) আমরা ঠেকাতে পারিনি। এছাড়া ঘরে থাকার নির্দেশনা লঙ্ঘনের প্রবণতাও তরুণদের মধ্যে বেশি।
এই বিশেষজ্ঞ বলেন, কয়েক দিন ধরে মৃত্যু এবং আক্রান্তের হার ওঠানামার মধ্যে আছে। আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত এভাবেই চলবে। কোনো দিন বেড়ে যাবে, আবার কমবে। এরপর আমরা হয়তো করোনাভাইরাসের বিদ্যমান পরিস্থিতির উন্নতি দেখব, যদি আমরা লকডাউনসহ সরকার নির্দেশিত অন্যান্য নির্দেশনা মেনে চলি।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের ব্রিফিং : আইইডিসিআর পরিচালক বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় দুই হাজার ২১৪ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। আর নমুনা পরীক্ষা করা হয় দুই হাজার ১১৪ জনের। তাদের মধ্যে ৩০৬ জন নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আটজন। এদের পরপর দুটি পরীক্ষায় সংক্রমণ নেই বলে চিহ্নিত হয়েছে। এ নিয়ে সর্বমোট ৬৬ জন সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরেছেন।
মোট চিহ্নিত ২ হাজার ১৪৪ জন রোগীর মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন ১৯৯৪ জন। তাদের মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৫৬৪ জন। বাকিরা হোম কোয়ারেন্টিনে আছেন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১১ জন আছেন আইসিইউতে। বাকি সবার অবস্থা মোটামুটি স্থিতিশীল।
তিনি বলেন, যে ৯ জন মারা গেছেন তাদের মধ্যে ৬০ বছরের বেশি বয়সী চারজন। ৫১-৬০ বছরের মধ্যে আছেন একজন আর ৪১-৫০ বছর বয়সের মধ্যে আছেন দু’জন। এছাড়া ৩১-৪০ বছর বয়সের মধ্যে একজন এবং আরেকজনের বয়স জানা যায়নি।
এদের মধ্যে ৬ জন ঢাকার, দু’জন নারায়ণগঞ্জের এবং একজন সাভারের। গত ২৪ ঘণ্টায় যারা শনাক্ত হয়েছেন, তাদের মধ্যে ২১-৩০ বছরের কোঠায় শতকরা ২৭ ভাগ, ৩১-৪০ বছর বয়সী ২২ ভাগ। এ ছাড়া ৪১-৫০ বছর বয়সী আছেন ১৯ ভাগ। নতুন সংক্রামিতদের মধ্যে পুরুষ শতকরা ৬২ ভাগ, বাকিরা নারী।
এরপর বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা। তিনি বলেন, জেলাভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ঢাকা শহরে, যা শতকরা ৩২ ভাগ। গাজীপুরে নতুন শনাক্ত আছে। এর আগে যারা শনাক্ত হয়েছিলেন তারা বেশির ভাগই নারায়ণগঞ্জ থেকে গেছেন।
গাজীপুরের পরই নতুন সংক্রমণ দেখা যাচ্ছে নরসিংদী ও কিশোরগঞ্জ। গত তিন দিন আমরা যেসব রোগীর কথা বলছি সেটা আমাদের পরীক্ষার প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে। এখানে এক দিনের তথ্য পেন্ডিং ছিল। ১৬ এপ্রিল বলা হয়েছিল ৩৪১ জন, যেখানে ১৫ এপ্রিলের ৪৯ জন ছিল। সে তথ্য আমরা তারিখ অনুযায়ী বিভাজন করেছি। ফলে ১৬ এপ্রিল আক্রান্ত সংখ্যা ২৯২ জন।
নাসিমা সুলতানা জানান, এখন পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২১ হাজার ১৯১টি। গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে আছেন ৬৬ জন। আর মোট আইসোলেশনে আছেন ৫৯৯ জন। ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশন থেকে মুক্ত হয়েছেন ৩২ জন। সব মিলিয়ে মোট মুক্ত হয়েছেন ৫১২ জন।
তিনি জানান, আজ ভালো খবরের মধ্যে হল নতুন করে ল্যাব সংযোজিত হয়েছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। নড়াইল, ঝিনাইদহ, মাগুরাসহ যশোরের আশপাশের জেলার নমুনা এখন থেকে সেখানেই পরীক্ষা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় হোম কোয়ারেন্টিনে আছেন ৩ হাজার ৬৪১ জন। এখন পর্যন্ত হোম কোয়ারেন্টিনে আছেন ১ লাখ ১৪ হাজার ৯২৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে আছেন ১৭৪ জন। এখন পর্যন্ত প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে আছেন ৪ হাজার ৮৩৯ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় মোট কোয়ারেন্টিনে নেয়া হয়েছে ৩ হাজার ৮১৫ জনকে। এখন পর্যন্ত ১ লাখ ১৯ হাজার ৭৬৪ জনকে কোয়ারেন্টিনে নেয়া হয়েছে। কোয়ারেন্টিন থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় ছাড় পেয়েছেন ৪ হাজার ২৬ জন। মোট ছাড় পেয়েছেন ৭১ হাজার ৩৯৩ জন।
বর্তমানে হোম কোয়ারেন্টিনে ৪৪ হাজার ২৮৭ জন এবং ৪ হাজার ৮৪ জন প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে আছেন। এখন পর্যন্ত মোট কোয়ারেন্টিনে আছেন ৪৮ হাজার ৩৭১ জন। ব্রিফিংয়ে এমআইএস পরিচালক ডা. হাবিবুর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা মহানগরী : শনিবার পর্যন্ত রাজধানীতে ১১৫ এলাকায় ৮৪৩ জনের দেহে নতুন করে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত বেড়েছে ১০৩ জন। শুক্রবার এই সংখ্যা ছিল ৭৪০। ঢাকার ১১৫ এলাকার মধ্যে- আদাবর ৫, আগারগাঁও ৫, আরমানিটোলা ১, আশকোনা ১, আজিমপুর ১৩, বাবুবাজার ১১, বাড্ডা ৮, বেইলি রোড ৩, বনানী ৮, বংশাল ১৬ , বানিয়ানগর ১, বাসাবো ১৭, বসুন্ধরা ৬ , বেগুনবাড়ী ১, বেগমবাজার ১, বেড়িবাঁধ ১, বকশীবাজার ১, বছিলা ১, বুয়েট এরিয়া ১, ক্যান্টনমেন্ট ১, সেন্ট্রাল রোড ১, চানখাঁরপুল ৭ , চকবাজার ১২, ঢাকেশ্বরী ১, ডেমরা ৩, ধানমণ্ডি২১, ধোলাইখাল ১, দয়াগঞ্জ ১, ইস্কাটন ৬, ফরিদাবাদ ১, ফার্মগেট ১, গেণ্ডারিয়া ১৬, গোড়ান ১, গোপীবাগ ৩, গ্রিন রোড ১০, গুলিস্তান ৩, গুলশান ১৪, হাতিরঝিল ১, হাতিরপুল ৩, হাজারীবাগ ১৬, ইসলামপুর ২, জেলগেট ২, যাত্রাবাড়ী ২৫, জিগাতলা ৫, জুরাইন ৩, কল্যাণপুর ২, কামরাঙ্গীরচর ৪, কাজীপাড়া ৩, কারওয়ান বাজার ১, কচুক্ষেত ১, খিলগাঁও ২, খিলক্ষেত ১, কলতাবাজার ১, কদমতলী ২, কোতোয়ালি ৪, কুড়িল ১, লালবাগ ২৩ , লক্ষ্মীবাজার ৫ , মালিটোলা ১, মালিবাগ ৪, মানিকদী ১, মাতুয়াইল ১, মীরহাজীরবাগ ২, মিরপুর ১-এ ৮, মিরপুর ৬-এ ৩, মিরপুর ১০-এ ৭, মিরপুর ১১-এ ১৩, মিরপুর ১২-এ ১১, মিরপুর ১৩-এ ২, মিরপুর ১৪-এ ৬, মিটফোর্ড ২৬, মগবাজার ১১, মহাখালী ১২, মোহনপুর ১, মোহাম্মদপুর ৩৪, মতিঝিল ১, মুগদা ৩, নবাবপুর ১, নবাবগঞ্জ ২, নারিন্দা ৩, নাখালপাড়া ৫, নিমতলী ৪, নিকুঞ্জ ১, পীরেরবাগ ২, পুরানা পল্টন ২, রাজারবাগ ১৩, রামপুরা ৪, রমনা ৫, রায়েরবাগ ১, রাজাবাজার ১, রায়েরবাজার ১, সবুজবাগ ২, সদরঘাট ১, সায়েদাবাদ ১, সায়েন্স ল্যাব ১, শাহআলীবাগ ২, শাহবাগ ৬, শাঁখারীবাজার ১০, শান্তিবাগ ১, শ্যামপুর ১, শান্তিনগর ৮, শ্যামলী ৭, শেওড়াপাড়া ১, শেখেরটেক ১, সোয়ারীঘাট ৩, সিদ্ধেশ্বরী ৩, শনির আখড়া ১, সূত্রাপুর ৯, তেজগাঁও ১৬, তেজতুরী বাজার ১, টোলারবাগ ১৯, উর্দু রোড ১, উত্তরা ২৩ , ভাটারা ১ এবং ওয়ারীতে ২৮ জন।
৫৩ জেলায় ছড়িয়েছে : শনিবার রাত ৮টা পর্যন্ত দেয়া সরকারি হিসাব অনুযায়ী দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৩টিতেই করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হয়েছে ঢাকা মহানগরীতে। ঢাকা বিভাগ : ঢাকা সিটিতে ৮৪৩ জন শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া ঢাকা জেলায় ৩৪, নারায়ণগঞ্জ ৩০৯, গাজীপুর ১৬১, কিশোরগঞ্জ ৫৪, মাদারীপুর ২৫, মানিকগঞ্জ ৬, মুন্সীগঞ্জ ৩৩, নরসিংদী ৯৩, রাজবাড়ী ৭, ফরিদপুর ৪, টাঙ্গাইল ৯, শরীয়তপুর ৭, গোপালগঞ্জ ২১। চট্টগ্রাম বিভাগ : চট্টগ্রাম ৩৮, কক্সবাজার ১, কুমিল্লা ১৭, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১০, লক্ষ্মীপুর ১৮, বান্দরবান ১, নোয়াখালী ৩, ফেনী ১, চাঁদপুর ৮। সিলেট বিভাগ : মৌলভীবাজার ২, সুনামগঞ্জ ১, হবিগঞ্জ ১, সিলেট ৩। রংপুর বিভাগ : রংপুর ৪, গাইবান্ধা ১২, নীলফামারী ৯, লালমনিরহাট ২, কুড়িগ্রাম ২, দিনাজপুর ৯, পঞ্চগড় ১, ঠাকুরগাঁও ৫। খুলনা বিভাগ : খুলনা ১, যশোর ১, বাগেরহাট ১, নড়াইল ২, চুয়াডাঙ্গা ১। ময়মনসিংহ বিভাগ : ময়মনসিংহ ১৯, জামালপুর ১৭, নেত্রকোনা ১২, শেরপুর ১১। বরিশাল বিভাগ : বরগুনা ৯, বরিশাল ১৮, পটুয়াখালী ২, পিরোজপুর ৪, ঝালকাঠি ৩। রাজশাহী বিভাগ : জয়পুরহাট ২, পাবনা ১, বগুড়া ১ ও রাজশাহীতে ৪।
লকডাউন ৩১ জেলা : সাত এপ্রিল লকডাউন করা হয় নারায়ণগঞ্জ ও টাঙ্গাইল জেলা। এছাড়া ৮ এপ্রিল নরসিংদী, জামালপুর ও কক্সবাজার; ৯ এপ্রিল চাঁদপুর; ১০ এপ্রিল গাইবান্ধা, নোয়াখালী ও কুমিল্লা; ১১ এপ্রিল ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সিলেট, ঠাকুরগাঁও, রাজবাড়ী ও গাজীপুর; ১২ এপ্রিল বরিশাল, লক্ষ্মীপুর ও সুনামগঞ্জ; ১৩ এপ্রিল নেত্রকোনা, মৌলভীবাজার; ১৪ এপ্রিল গোপালগঞ্জ, নীলফামারী, ময়মনসিংহ; ১৫ এপ্রিল শরীয়তপুর, নওগাঁ, দিনাজপুর, শেরপুর এবং বৃহস্পতিবার মাদারীপুর ও জয়পুরহাট জেলা লকডাউন ঘোষণা করা হয়। ১৮এপ্রিল পঞ্চগড় ও বরগুনা জেলা লকডাউন করা হয়।












