ঝুকিপুর্ণ এলাকার দিক থেকে দেশে নারায়ণগঞ্জের পরই ঢাকা। ঢাকার ১৬ এলাকা করোনাভাইরাসের রেড জোন। এসব ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা লকডাউন করেছে প্রশাসন।
রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার ওই এলাকাগুলো অধিক ঝুঁকিপূর্ণ। এসব এলাকায় ইতোমধ্যে ১০ জনেরও বেশি কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়েছে।
আইইইডিসিআরের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীতে ১০ জনের অধিক করোনা আক্রান্তের মধ্যে ওয়ারীতে ২৬, মোহাম্মদপুরে ২০, টোলারবাগে ১৯, যাত্রাবাড়ীতে ১৯, ধানমন্ডিতে ১৮, লালবাগে ১৮, উত্তরায় ১৭, তেজগাঁওয়ে ১৬, বাসাবোতে ১৪, গেন্ডারিয়ায় ১৩, মগবাজারে ১০, মহাখালীতে ১০, মিরপুর১১-১১, মিরপুর১২- ১০, গ্রিনরোড-১০ ও বাবুবাজারে ১১ জন রোগী আছেন।
এছাড়া বনানী, গুলশান, বাড্ডা, আজিমপুর, আদাবর, নাখালপাড়া, রাজারবাগ, ঝিগাতলাসহ রাজধানীর ৯৮টি এলাকায় ৫১৮ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। যা দেশের মোট রোগীর ৪৫ শতাংশের বেশি।
আইইডিসিআর বলছে, করোনার রেড জোন রাজধানীর অন্তত ১৬টি এলাকা। নারায়ণগঞ্জের পরেই সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ঢাকা। তাই নাগরিকদের লকডাউন মেনে ঘরে থাকার আহবান জানিয়েছে সরকারের এই প্রতিষ্ঠানটি।
প্রসঙ্গত, গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত করা হয়। এরপর একমাস ৮ দিনে বুধবার (১৫ এপ্রিল) পর্যন্ত দেশে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২৩১ জনে। মৃত্যু হয়েছে ৫০ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৪৯ জন। গোটা বিশ্বে প্রতিনিয়তই হাজারে হাজারে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। এ পর্যন্ত ১ লাখ ৩৪ হাজার প্রাণহানি হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাড়িয়েছে ২১ লাখে।












