নীলফামারীতে ঝড়ো বাতাসের সাথে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এতে ফসলের উপকার হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলার কৃষিকর্মকর্তা ও কৃষকরা।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল সাড়ে সাতটার দিকে শুরু হয় দমকা বাতাস। ধীরে ধীরে আকাশ অন্ধকার হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর বৃষ্টি শুরু হয়। এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত বৃষ্টি চলছে।
সকাল থেকে জেলায় ১২.৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ বৃষ্টিতে ফসলের উপকার হবে বলে জানিয়েছে জেলার কৃষি দপ্তর।
ডোমার উপজেলার চিকনমাটি গ্রামের কৃষক তইবর রহমান ও তাজু ইসলাম জানান, ঝড় ও বৃষ্টিতে ক্ষেতের ধান কিছুটা মাটিতে শুয়ে পড়েছে। তবে তাতে সেরকম ক্ষতি হবে না। পানির অভাবে এতোদিন তারা জমিতে সার দিতে পারেননি। এখন সার দিতে পারবেন।
বসুনিয়া এলাকার কৃষক বাবলু ইসলাম জানান, বৃষ্টিতে তার ভুট্টা ক্ষেতের উপকার হয়েছে। খরা থাকার কারণে ক্ষেতের মাটি শুকিয়ে গিয়েছিল। বৃষ্টির কারণে মাটিতে প্রাণ ফিরেছে।
ডিমলা উপজেলা উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. নাজমুল হক জানান, এখন আম ও লিচুর গুটি গুটি ফল ধরেছে। এই সময়ে গাছে সেচ দিতে হয়। বৃষ্টি হওয়ায় আর আলাদা করে সেচ দিতে হবে না। তবে বৃষ্টির পানি ফলের উপর পড়ায় ছত্রাক ধরার আশংকা রয়েছে। এজন্য বৃষ্টি শেষে ছত্রাকনাশক স্প্রে করতে হবে।
জেলা কৃষি অধিদপ্তরের উপ পরিচালক নিখিল চন্দ্র বিশ্বাস জানান, ঝড়োবৃষ্টিতে এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। বরং বৃষ্টিতে অধিকাংশ ফসলের উপকার হয়েছে।












