কম্পিউটার ফটোকপি মেশিন ক্যামেরা সহ সতের প্রকারের সামগ্রীর প্রায় ৩ লক্ষ টাকার চুরি যাওয়া মালামাল মাটির নিচ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় অপরাধের সাথে জড়িত থাকা ৪ আসামীকে আটক করা হয়। তবে এ ঘটনার সাথে জড়িত একজন পলাতক রয়েছে।
গতকাল বুধবার ভোর রাতে ভজনপুর ইউনিয়নের ভুতিপুকুর গ্রামের ওয়াহেদ আলীর পুত্র চোরের মুল হোতা হাসান আলীর বাড়িতে ইন্সপেক্টর আবু সাঈদ চৌধুরীর নেতৃত্বে একদল চৌকস পুলিশ অভিযান চালিয়ে গোয়াল ঘরের মাটির নিচ থেকে ওই সব মালামাল উদ্ধার করা হয়। থানা পুলিশ জানায়, আমরা তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে চোরাইকৃত মালামাল উদ্ধার করতে স্বখ্যম হয়েছি। চুরি যাওয়া উল্লেখ্য যোগ্য মালামালে মধ্যে কম্পিউটার, ফটোকপি মেশিন, মনিটর, ক্যামেরা, স্ক্যানার, প্রিন্টার মেমেলিটিং, মোবাইল সহ ষ্টেশনারী সামগ্রী উদ্ধার করতে পেরেছি। সেই সাথে চুরি সাথে জড়িত থাকায় চার আসামিকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা হলো, ভুতিপুকুর গ্রামের ওয়াহেদ আলীর ছেলে হাসান আলী (২০), মৃত জামাল উদ্দীনের ছেলে আজিমুল হক (৩৮), বগুলাহাটি গ্রামের শামসুলের ছেলে রিয়াজুল (১৯), সারাপিগছ গ্রামের মহির উদ্দীনের ছেলে হেলাল উদ্দীন (৩২)।
গত ১৩ অক্টোবর দিবাগত রাতে শালবাহান বাজারের রুম্পা কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার এন্ড স্টেশনারীজ দোকানের টিনের চাল কেটে কম্পিউটার, ফটোকপি মেশিন, মনিটর, ক্যামেরা, স্ক্যানার, প্রিন্টার মেমেলিটিং, মোবাইল সহ বিভিন্ন প্রকার ষ্টেশনারী সামগ্রী চুরি হয়। পর দিন সকালে মালিক জাকির হোসেন দোকানের তালা খুলে দেখে ছাদের টিন বাইরে পরে আছে। দোকানের মালামাল চুরি হয়ে গেছে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। অভিনব কায়দায় চুরির ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ঐ দিনই মালিক জাকির হোসেন বাদি হয়ে অজ্ঞাত নামীয় আসামী করে তেতুলিয়া মডেল থানায় একটি চুরি মামলা দায়ের করেন।
তেতুলিয়া মডেল থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আবু সাঈদ চৌধুরী জানান, তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে এবং পেশাগত দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে পুলিশের চৌকস টিমের মাধ্যমে চোরাইকৃত মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রীয়া শেষে আটককৃত আসামিদের জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।
বার্তা প্রেরক
জাবেদুর রহমান জাবেদ
তেতুলিয়া প্রতিনিধি












