পরিচালক (যুগ্ম-সচিব) মো. জোবায়দুর রহমানসহ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের ১৫৯ জন শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারী করোনাভাইরাসে (কোভিড- ১৯) আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে একজন শিক্ষক মারা গেছেন, সুস্থ হয়েছেন ৩০ জন।
শুক্রবার (১২ জুন) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের (ডিপিই) ওয়েবসাইট থেকে এ তথ্য জানা গেছে। জানা যায়, জোবায়দুর রহমানের দেহে করোনা শনাক্ত হওয়ার পর গতকাল বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতে তাকে হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৬০ জন, রাজশাহী বিভাগে ছয়জন, চট্টগ্রামে ৫৩ জন, খুলনায় ছয়জন, বরিশালে নয়জন, সিলেটে ১৫ জন, রংপুরে ছয়জন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ছয়জন রয়েছেন।
জানা গেছে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত প্রাথমিকের শিক্ষকদের মধ্যে অন্তত ১৫ জনের অবস্থা মুমুর্ষু। নিজ উদ্যোগেই নানাভাবে চিকিৎসা নিচ্ছেন তারা। নিম্ন বেতনের প্রাথমিক শিক্ষকরা কোভিড-১৯ আক্রান্ত হওয়ায় পরিবার-পরিজন নিয়ে বড় ধরনের সংকটে পড়েছেন। তাদের কারও কারও পরিবারের সদস্যরাও আক্রান্ত হয়েছেন।
আক্রান্ত শিক্ষকরা জানিয়েছেন, এই শিক্ষকদের নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর থেকে তাদের কোনো খোঁজখবর নেয়া হয়নি। তবে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক শিক্ষকদের বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে আক্রান্তদের নানা ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে। কারও চিকিৎসকের পরামর্শ লাগলে সেই ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। যেসব শিক্ষক আক্রান্ত, তাদের বেশিরভাগই নিজের বাড়িতে আইসোলেশনে আছেন। আর হাসপাতালে ভর্তি আছেন কয়েকজন।
এ বিষয়ে ডিপিই’র মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা কেউ কোভিড-১৯ আক্রান্ত হলে তার তথ্য সংগ্রহ করে আমাদের ওয়েবসাইটে যুক্ত করা হচ্ছে। তার চিকিৎসার জন্য সার্বিক সহায়তা দিতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বর্তমান মহামারি যতদিন স্বাভাবিক না হবে সকল প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখা হবে। পাশাপাশি দেশের যেখানেই শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী আক্রান্ত হবেন, তাদের তথ্য সংগ্রহ করে সার্বিক সহায়তা দেয়া হবে।












