আজ রোববার ১৭.০৫.২০২০ এডভোকেট শফিকুল হক মিলন নেতাদের হাতে এই খাদ্য সামগ্রী তুলে দেন। তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশক্রমে নির্বাচনী এলাকা রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) ব্যক্তিগত অর্থায়নে এই সকল খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রেখেছেন তিনি।
মিলন বলেন, সামনে ঈদ আসছে। সেইসাথে চলছে রোজা। এই চলমান লকডাউনে কর্মহীন মানুষগুলো দিশেহারা হয়ে পড়েছে । তাদের ঘরে দেখা দিয়ে খাদ্য ও নগদ অর্থের সংকট। করোনা ভাইরাস থেকে জনগণকে রক্ষা করতে চলছে এই লকডাইন। ফলে সকল মানুষ ঘরে বন্দি হয়ে আছেন। এসময়ে সরকারের পক্ষ থেকে কর্মহীন মানুষদের জন্য খাদ্য সহায়তা দেয়ার কথা ছিলো। কিন্তু সরকার এ কর্মসূচীতে অনেকটাই ব্যর্থ হয়েছে। কারণ সরকারী ত্রাণ ও নগদ অর্থ সরকার দলীয় নির্বাচিত সদস্য ও নেতারা চুরি করে সাবাড় করে দিয়েছে। ফলে সরকারের প্রদানকৃত ত্রাণ বেশীরভাগ কর্মহীন মানুষের নিকট পৌঁছায়নি বলে জানান মিলন।
মিলন আরো বলেন, রাজশাহীর অন্যান্য থানা ও উপজেলাগুলো করোনার রোগি দেখা গেলেও এই প্রথম নগরীতে করোনা ভাইরাসে এক নারী আক্রান্ত হয়েছেন। এরফলে নগরীর জনগণ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। ঈদকে সামনে রেখে দোকানপাট খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিলেও পড়ে তা বন্ধ ঘোষনা করা হলেও দোকানদাগণ মানছেন না নিষেধাজ্ঞা। তারা মার্কেটের প্রধান ফটক বন্ধ রেখে ভিতরে ব্যবসা করে চলছেন। আইন শৃংখলা বাহিনী ও প্রশাসনের লোকজন দেখেও না দেখার ভান করছেন বলে জানান তিনি। এই অবস্থা চলতে থাকলে নগরীতে দ্রুত করোনা ভাইরাস ছড়াতে পারে। সেক্ষেত্রে মহামারী আকারও ধারণ করার সম্ভাবনা রয়েছে।
বক্তব্য শেষে সপুরাস্থ নিজ কার্যালয় থেকে কাঁটাখালি পৌর এলাকার জনগণের জন্য খাদ্য সামগ্রী প্রেরণ করেন।
অত্র পৌর বিএনপি’র সদস্য সচিব নাজমুল হক, বিএনপি নেতা মনিরুজ্জামান দুলাল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল ইসলাম , যুবদলের আহবায়ক মাসুদ ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান খান এই খাদ্য সামগ্রী গ্রহন করেন। সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে খাদ্য সামগ্রী প্রতিটি বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে দেয়ার জন্য নেতাদের নির্দেশ প্রদান করেন তিনি।












