উপজেলা সদরে যাওয়ার খরচ ও ঝক্কি-ঝামেলা ছাড়াই ময়মনসিংহে বাড়ির কাছেই বিধবাভাতা পাচ্ছেন উপকারভোগীরা। করোনা ঝুঁকি এড়াতে ময়মনসিংহের গৌরীপুরের সহনাটি ইউনিয়নে বিধবাভাতা পৌঁছে দিয়ে এ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। নারীরাও সামাজিক দূরত্ব মেনে ভাতা নিচ্ছেন।
সোমবার দুপুরে যোগীরডাংগুরী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ৬৫ জন বিধবার হাতে মাসিক ১৫শ টাকা হারে নগদ টাকা তুলে দেওয়া হয়। পর্যায়ক্রমে ইউনিয়নের ২৪১ জন বিধবার হাতে তাদের টাকা তুলে দেওয়া হবে।
সহনাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নানের সহায়তায় ব্যাংক কর্মকর্তারা ভাতা বিতরণ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসার ইশতিয়াক আহম্মেদ, কৃষি ব্যাংকের ম্যানেজার মীর মো.নুরুস শামশ প্রমূখ।
সহনাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান বলেন, তার ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের ২৪১ জন বিধবা ভাত পান। সকলে অটো দিয়ে প্রত্যেক মাসে গিয়ে গৌরীপুরে ব্যাংক থেকে বিধবা ভাতার টাকা উত্তোলন করত। করোনা দুর্যোগের আশংকার কথা চিন্তা করে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে ব্যাংক কর্মকর্তাদের এলাকায় আমন্ত্রণ জানিয়ে বিধবা ভাতা প্রদান করছেন।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক গৌরীপুর শাখার ম্যানেজার মীর মো.নুরুস শামশ জানান, করোনা প্রতিরোধে চেয়ারম্যানের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রথমে তারা সহনাটি ইউনিয়নে বিধবা ভাতা প্রদানের কাজ শুরু করেছেন। যতদিন করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হবে ততোদিন পর্যন্ত সাধারণ মানুষকে এলাকায় গিয়ে সেবা দিবেন।
উপজেলা সমাজসেবা অফিসার ইশতিয়াক আহম্মেদ জানান, করোনা প্রতিরোধে আমরা চিন্তা-ভাবনা করছি, সকল সরকারি ভাতা মানুষের বাড়িতে পৌছে দিতে। এতে সাধারণ মানুষ যেমন উপকৃত হবে, তেমনি করোনা প্রতিরোধও সম্ভব হবে।












