গাইবান্ধা জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি আজ রোববারও অপরিবর্তিত রয়েছে। নদী তীরবর্তী চারটি উপজেলার ২৬টি ইউনিয়ন প্লাবিত আছে। এ সব ইউনিয়নের ১ লাখ ২২ হাজার ৩২০ জন পানিবন্দী। তাঁরা বাঁধ ও উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিয়েছেন। পানি কিছুটা কমলেও তাঁরা ঘরে ফিরতে পারেননি। গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোখলেছুর রহমান বলেন, যেভাবে পানি কমছে তাতে বন্যা পরিস্থিতি ক্রমেই উন্নতির দিকে যাচ্ছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি আরও ১৭ সেন্টিমিটার ও ঘাঘট নদীর পানি আরও ২০ সেন্টিমিটার কমেছে। পানি কমলেও আজ সকাল ৬টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ফুলছড়িঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ৮১ সেন্টিমিটার ও ঘাঘট নদীর পানি জেলা শহরের নতুন ব্রিজ পয়েন্টে বিপৎসীমার ৫৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। বন্যাকবলিত এলাকাগুলোয় বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। বন্যার পানি খেয়ে অনেক এলাকায় পেটের পীড়া দেখা দিয়েছে। এ জন্য বন্যা দুগত এলাকায় ৬১টি মেডিকেল টিম কাজ করছে বলে জানিয়েছেন সিভিল সার্জন।












