ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেছেন, লকডাউনের বিষয়ে আমরা টেকনিক্যাল কমিটিকে বলেছি, নতুন যে জোনিং করা হচ্ছে সেটি কীভাবে আরও সুনির্দিষ্ট করা যায়, স্বাস্থ্য অধিদফতর সে বিষয়ে কাজ করছে। তবে এই মুহূর্তে আমাদের সবাইকে সচেতন হওয়া দরকার। জনগণ সহযোগিতা করলে আমরা সফল হবো।
বুধবার পরীক্ষামূলকভাবে লকডাউন ঘোষিত পূর্ব রাজাবাজার এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, আমরা পুরো দেশ লকডাউন করতে পারি না। এজন্য সংক্রমণের হার নিরূপণ করে এলাকাভিত্তিক লকডাউন করাটাই সবচেয়ে উপযোগী। এ বিষয়ে সিটি করপোরেশনের সাথে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা একযোগে কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, ডিএনসিসির মেয়র সার্বক্ষণিক তদারকি করছেন, তার কাউন্সিলরগণও নিবেদিত প্রাণ। আমি নিজেও সার্বিক বিষয় নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছি। মেয়রের নির্দেশে এখানে সার্বক্ষণিক একটি অ্যাম্বুলেন্স রাখা হয়েছে।রাজাবাজার আমাদের অন্যান্য নতুন লকডাউন এলাকার জন্য উদাহরণ হিসেবে কাজ করবে। এখানে আমরা মানবিক সহায়তার ব্যবস্থা রেখেছি।
যারা ক্রয় করতে পারছেন না, দরিদ্র মানুষ, তাদেরকে বিনামূল্যে খাদ্যদ্রব্য দেয়া হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে। আর যারা স্বচ্ছল পরিবার তাদেরকে চাহিদা অনুযায়ী খাবার ক্রয় করে বাড়িতে পৌঁছে দেয়া হচ্ছে।