এদেশের ক্রিকেটে এই সংস্কৃতি চালু নেই। কোনো ক্রিকেটার চাইলেই তার ইচ্ছেমত বিরতি নিতে পারেন না। হয়তো তার চোটে পড়তে হবে অথবা যুক্তিযুক্ত কোনো কারণ দেখাতে হবে। শুধু শারীরিক নয়, মানসিক স্বাস্থ্য বলেও যে একটা ব্যাপার আছে, এই সংস্কৃতির সঙ্গে অভ্যস্ত নয় এদেশের মানুষ।
সম্প্রতি বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা এই মানসিক স্বাস্থ্যের প্রসঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, আমাদের সমাজ-সংসার এই ব্যাপারটার সাথে পরিচিত নয়। তাই ক্রিকেটাররও তাদের ব্যক্তিগত সমস্যাগুলো সামনে আনতে ভয় পান।
ডোমিঙ্গো বলেন, ‘মানসিক অবসাদ এমন একটা ব্যাপার, যেটার ব্যাপারে সৎ থাকা উচিত খেলোয়াড়দের। তাদের এসব খুলে বলতে হবে। খেলোয়াড়দের সবাই হয়তো এসব শেয়ার করতে স্বস্তিবোধ করে না। তবে আমরা এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে চাই, যাতে খেলোয়াড়রা খোলাখুলিভাবে তাদের অনুভূতি প্রকাশ করতে পারবে। বলতে পারবে কখন বিরতি দরকার, সেটা মানসিক হোক কিংবা শারীরিক।’
মানসিক অবসাদে বিরতি নেয়ার ঘটনাটি ইদানীং আলোচনায় এসেছে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের মাধ্যমে। ব্যক্তিগত কারণে তিনি খেলা থেকে কয়েকদিনের জন্য বিরতি নেন। তার পর অস্ট্রেলিয়ার তরুণ ব্যাটসম্যান নিক ম্যাডিনসনও বিরতিতে যান।
তারও আগে অবসাদের কারণে ইংলিশ কয়েকজন ক্রিকেটার (স্টিভ হার্মিসন, মার্কাস ট্রেসকোথিক, জোনাথান ট্রট) বিরতি নিয়েছিলেন। তবে অ্যাশেজ চলার সময় বিরতি নেয়ায় সমালোচনায় পড়েছিলেন জোনাথান ট্রট।
ডোমিঙ্গো মনে করেন, খেলোয়াড়দের এই স্বাধীনতাটা দেয়া উচিত। টাইগার হেড কোচের ভাষায়, ‘আমাদের এসব সিদ্ধান্তে সম্মান জানাতে হবে। কারণ এটি খেলাধুলার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটা ব্যাপার।’












