বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে বয়সসীমা দুই বছর বাড়িয়ে ৬৭ বছর করে এ সংক্রান্ত সংশোধিত আইন অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার (৮ জুন) ‘দ্য বাংলাদেশ ব্যাংক (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২০’ এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, ‘দি বাংলাদেশে ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭১’ এর আর্টিকেল ১০ এর ক্লজ-৫ এর বিধান অনুযায়ী গভর্নরের কার্যকাল বা মেয়াদ পাঁচ বছর এবং তাকে পুনঃনিয়োগ করা যাবে। তবে ওই ক্লজ-৫ এর শর্তাংশে উল্লেখ রয়েছে যে, ৬৫ বছর বয়স পূর্তির পর কোনো ব্যক্তি গভর্নর পদে আসীন থাকতে পারবেন না।
তিনি বলেন, সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৬৫ বছর নির্ধারিত থাকায় আর্থিক খাতে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিকে ৬৫ বছরের পর গর্ভনর হিসেবে নিযোগ দেয়া সম্ভব হয় না। এমনকি বাংলাদেশে ব্যাংকে গভর্নর হিসেবে দায়িত্বপালনকারী অভিজ্ঞ ব্যক্তিকেও ৬৫ বছর পর পুনঃনিয়োগ দেয়া সম্ভব হয় না।
পাশের দেশ ভারত ও শ্রীলংকায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর পদে সর্বোচ্চ বয়সসীমা উল্লেখ নেই বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
এই পরিপ্রেক্ষিতে সংশাধিত আইন অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের বয়সসীমা দুই বছর বাড়িয়ে ৬৭ বছর করা হচ্ছে বলে জানান খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।
তবে জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরকে আরও দুই বছর এই পদে রাখতে আইন সংশোধন করা হয়েছে। বিদ্যমান আইন অনুযায়ী আগামী ৩ জুলাই ফজলে কবিরের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এখনকার আইন অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে ফজলে কবিরের মেয়াদ বাড়ানোর আর কোনো সুযোগ থাকছিল না। কারণ তার বয়স ৬৫ বছর ছুঁই ছুঁই। নতুন আইনের ফলে তাকে এই পদে আরও দুই বছর রাখতে পারবে সরকার।












