কুষ্টিয়ার ৬৪ জনের নভেল করোনাভাইরাস পজিটিভের ভুল রিপোর্ট

।বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে আতঙ্কের নাম নভেল করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯। করোনা এমন একটি নাম যা পরিবার থেকে আলাদা করে দিচ্ছে সদস্যদের। বাবা মার কাছ থেকে আলাদা হচ্ছে সন্তান। স্বামীর কাছ থেকে আলাদা হচ্ছে স্ত্রী। যেহেতু এর কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কৃত হয়নি তাই এটির প্রতিরোধই একমাত্র সমাধান। যার জন্য সকলের সতর্ক হওয়া হলো একটি অন্যতম প্রধান উপায়। আর একটি উপায় হলো রোগীদের সঠিক ভাবে শনাক্ত করা।

রোগীদের সঠিকভাবে শনাক্ত করার জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত অভিজ্ঞ ডাক্তার। কিন্তু ইতিপূর্বে আমরা করোনা ভাইরাসের ভয়ে ডাক্তারদের চাকুরি ছেড়ে চলে আসতে শুনেছি। যার ফলে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ অনেকটা কঠিন হয়ে দাড়িয়েছে।
আবার একের পর এক কোভিড-১৯ পজিটিভের ভুল রিপোর্ট কোভিড-১৯ বা করোনাভাইরাস প্রতিরোধ ব্যবস্থা কে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। জনগনের মাঝে বাড়ছে উৎকণ্ঠা ও সন্দেহ।

কিছুদিন আগে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী কুষ্টিয়া জেলায় ব্লাড স্যাম্পল সংগ্রহ করা শুরু হয়। এতে কোভিড-১৯ পজিটিভ রিপোর্ট আসে অনেকের। শত শত পরিবার করে দেওয়া হয় লকডাউন। কিন্তু সত্যিই কি শনাক্তকৃত প্রত্যেকে করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত ছিলো?

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর এই সন্দেহ জাগে রোগিদের ও তাদের পরিবারের মধ্যে। ফলস্বরূপ তারা রিপোর্ট যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে ব্লাড স্যাম্পল ঢাকায় আইইডিসিআর এ পাঠালে ৬৪ টি রিপোর্ট নেগেটিভ আসে।
অপরদিকে রিপোর্টের সত্যতা যাচাইয়ের পূর্বে, বিনা কারণে লকডাউনে থাকতে হয় এবং উক্ত পরিবারসমূহ ও সেগুলোর পার্শ্ববর্তী পরিবারের মধ্যে আতঙ্ক ও গুজব ছড়িয়ে পরে। যার কারনে  ক্ষোভ প্রকাশ করেছে তারা।

তাই সকলের দাবি রিপোর্ট প্রদানের পুর্বে তারা যেন রিপোর্ট পুনরায় যাচাই করে দেওয়া হয়। কারন ভুল রিপোর্ট এর কারনে পরিবার ও সমাজে কিরূপ প্রভাব পরে তা একমাত্র ভুক্তভোগীরায় ভালো বোঝেন।

বার্তা প্রেরক :

মাহাবুব হোসেন

কুমারখালি (কুষ্টিয়া ) প্রতিনিধি

 

মন্তব্য করুনঃ

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন