একজন লোক চুলকাটাবেন, অনেকক্ষন একটা সেলুনের সামনে দাড়িয়ে। এদিক ওদিক তাকিয়ে শাটারে ঠক ঠক করলো। ভেতর থেকে উত্তর এলো কে? চুল কাটাবো! দোকানী বললো ১০ মিনিট পরে ঠক ঠক করেন, এমন অবস্থা কুষ্টিয়া শহরের প্রায় দোকানে। শাটার নামানো কিন্তু তালা নেই। মোবাইল সার্ভিসিং এর দোকানী বসে আছে দোকানের সামনে ২ টা মোবাইল আর মোবাইল সারার যন্ত্র নিয়ে। কেউ মোবাইল সার্ভিস করাতে আসলে দোকানের ভেতরে গিয়ে ঝাপ নামিয়ে সেরে দিচ্ছেন। সার্ভিস চার্জটা আবার ২ গুণ বেশি। চায়ের দোকান গুলো একটু ভিন্ন, গরমপানির ফ্লাক্স টেবিলের নিচে।আপনি চা খাবেন টেবিলের নিচ থেকে চা বানিয়ে দেবে টাকা নেবে বলবে চলে যান, এখানে বসে খাওয়া যাবে না। এই রকম অবস্থা প্রায় সব দোকানের। নিয়ম অনুযায়ী ঘরে থাকার কথা থাকলেও তারা দোকানের ভিতরে থাকছেন। কারণ টা সবার জানা, দিন শেষে যদি কিছু টাকা আয় করা যায় এতে হয়তো তাদের সংক্রমনের ঝুকি আছে। তাতেও আসে যায় না ঘরের মানুষের মুখে খাবার তুলে দেওয়াটাই অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ। মাঝে মাঝে পুলিশ এসে তালা ঝুলিয়ে দিচ্ছে, আবার অনেকে জরিমানাও দিচ্ছে। তাতেও সমস্যা নেই, যেহেতু সামনে ঈদ সকলেই চায় সেই দিনটা পরিবারের মুখে হাসি থাক। হয়তো নতুন জামা হবে না একটু ভালো খাবার তো হবে।
সাইফুল আলম খান জোয়ার
কুষ্টিয়া, প্রতিনিধি












