আম্পায়ার ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম সংক্ষেপে ডিআরএস হলো অনফিল্ড আম্পায়ারের কোনো সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানানো। আনুষ্ঠানিকভাবে ২০০৮ সালে টেস্ট, ২০১১ সালে ওয়ানডে ও ২০১৭ সালে টি-টোয়েন্টিতে ডিআরএস সিস্টেম চালু হয়েছে। এখন পর্যন্ত ডিআরএসে সবচেয়ে সফল বোলার কিংবা ব্যাটসম্যান কে? কোন দল ডিআরএস নিয়ে কেমন সফল এসব নিয়ে বিস্তারিত একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছে ক্রিকেট পোর্টাল ক্রিকবাজ। যেখানে ডিআরএস চ্যালেঞ্জ জেতা ব্যাটসম্যানদের মধ্যে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন বাংলাদেশের মুশফিকুর রহীম।
বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক মুশফিক ব্যাটসম্যান হিসেবে ১৩টি রিভিউ নিয়ে ৭টিই জিতেছেন। বাকি ৬টির মধ্যে দুটি ছিল আম্পায়ার্স কল। তালিকায় শীর্ষে নিউজিল্যান্ডের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান বিজে ওয়াটলিং। ১০ বার রিভিউ নিয়ে ৭ বারেই বেঁচে গেছেন তিনি। দ্বিতীয় স্থানে থাকা সাবেক প্রোটিয়ার ওপেনার হাশিম আমলা ১৩ রিভিউয়ের মধ্যে জিতেছেন ৯টি।
সাকিব আল হাসানের রেকর্ডটা ঠিক মুশফিকের উল্টো।
রিভিউয়ে সবচেয়ে কম সফল বোলারদের তালিকায় তিনি রয়েছেন শীর্ষে। ২১টির মধ্যে জিতেছেন মাত্র ২টি। এরপর রয়েছেন ইংল্যান্ডের আদিল রশিদ। তিনি ৩০টির মধ্যে ৩টিতে সাফল্য পেয়েছেন। এ তালিকায় শীর্ষে রশিদের জাতীয় দলের সতীর্থ স্টুয়ার্ট ব্রড। ৩৬ রিভিউয়ের মধ্যে ব্রড ১০টিতে সফল হয়েছেন, আনসাকসেসফুল ২৫টি।। দ্বিতীয় স্থানে ভারতের রবীন্দ্র জাদেজা। তিনি ৩৪টি রিভিউয়ের মধ্যে ৮টিতে সফল ও ২৫টিতে ব্যর্থ হয়েছেন।
এলবিডব্লিউয়ের ক্ষেত্রে ১৬টি রিভিউয়ের মধ্যে সাকিব জিতেছে মাত্র ১টি। নিউজিল্যান্ডের টিম সাউদি এই তালিকায় শীর্ষে। ১৯ রিভিউয়ে তার সাফল্য ১টিতে। তৃতীয় স্থানে ভারতীয় পেসার মোহাম্মদ শামি। আম্পায়ারকে ১৫ বার চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনিও একবার জিতেছেন।
অন্যদিকে, এলবিডব্লিউ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সফল হওয়ার ব্যাটসম্যানের তালিকায় তামিমের অবস্থান নিচের দিকে। ১২ রিভিউয়ের মধ্যে ২টি জিতেছেন তিনি।
জস বাটলারের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি রিভিউ নষ্ট করেছে প্রতিপক্ষ- ১৮টি রিভিউয়ের মধ্যে সাফল্য মাত্র ৩টিতে। ইংলিশ এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান তাই সৌভাগ্যবানদের তালিকায় শীর্ষে। এরপর অস্ট্রেলিয়ার ডেভিড ওয়ার্নার (২৫টি ফিল্ডিং রিভিউয়ের মধ্যে ২০টিতে বেঁচে গেছেন) ও ভারতের বিরাট কোহলি। ভারতীয় অধিনায়ককের বিরুদ্ধে ২৫ বার রিভিউ নিয়েছে ফিল্ডিং সাইড। তবে ২০ বারই বেঁচে গেছেন কোহলি। যদিও আম্পায়ারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে টেস্টে ১৫টি রিভিউয়ের মধ্যে মাত্র ২টিতে সফল হয়েছেন তিনি।
দল হিসেবে রিভিউয়ে ক্ষেত্রে টেস্টে সবচেয়ে সফল পাকিস্তান, সর্বনিম্ন নিউজিল্যান্ড। ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে আবার উল্টো। সেক্ষেত্রে নিউজিল্যান্ড শীর্ষে, পাকিস্তান সবার নিচে।
এলিট প্যানেলের আম্পায়ারদের মধ্যে টেস্টে ডিআরএস কেসে সবচেয়ে সফল মাইকেল গফ। তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নেয়া ৭৫ শতাংশ রিভিউ ব্যর্থ হয়েছে। যদিও মাত্র ১৪টি টেস্টে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।












