শফিউল: জাতীয় দলের আশা ছেড়ে দিয়েছিলাম

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট, টি-২০ লিগ, ঘরোয়া ক্রিকেট মিলিয়ে সবসময়ই ব্যস্ত সময় পার করেন ক্রিকেটাররা। খেলা না থাকলে আবার কাজ করতে হয় ফিটনেস নিয়ে। ইনজুরি থেকে সেরে উঠতে ক্রিকেটারদের নিয়মিত ফিটনেস টেস্টের বিকল্প নেই। কিন্তু এখন সবই করতে হচ্ছে বাসায় বসে। সব মিলিয়ে ক্রিকেটাররা পার করছেন বেকার সময়।

অনেকে আবার নানান কাজে ব্যস্ত রেখেছেন নিজেদের। শফিউল ইসলাম যেমন জানালেন তিনি, পরিবারকে সময় দিচ্ছেন, চেষ্টা করছেন খেটে খাওয়া মানুষের পাশে থাকতে। এছাড়া বাড়িতে একেবারে বসে নেই। যতটুকু সুযোগ আছে ফিটনেস নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

এ বিষয়ে সমকালকে শফিউল বলেন, যখনই খেলা শুরু হোক পুরোদস্তুর ছন্দ নিয়ে যাতে খেলতে পারেন সেভাবেই তিনি পরিকল্পনা সাজিয়ে রেখেছেন। তার মতে, ফিটনেস ঠিক থাকলে দু-তিন দিনেই স্কিলের ওপর দখল চলে আসবে। বাংলাদেশ জাতীয় দলে শফিউলের আগমণ দারুণ এক সুইং বোলার হিেসেব। কিন্তু ইনজুরির কারণে পুরোপুরি তার প্রতিভা বিকাশ হয়নি।

বগুড়ার এই পেসার এ নিয়ে বলেন, ‘মাঝেমধ্যে খুব খারাপ লাগত। দেখা গেছে, ইনজুরি থেকে ফিরে ম্যাচের ঠিক আগের দিন আবার ইনজুরিতে পড়েছি। এসব ভাবলে খারাপই লাগে।’ ইনজুরি কম হলে দেশের হয়ে আরও ৫০টি ম্যাচ বেশি খেলতে পারতেন বলে মনে করেন তিনি। বয়স বাড়তে থাকলে ইনজুরি থেকে পুরোপুরি ফিরে আসা কঠিন। শফিউল তাই একসময় ভেবেছিলেন আর জাতীয় দলের জার্সি পরা হবে না তার।

তবে আবার শফিউল ভালোমতোই ফিরেছেন জাতীয় দলে, ‘একটা সময় জাতীয় দলের আশা ছেড়ে দেওয়ার মতো অবস্থা হয়েছিল। শ্রীলংকায় ওয়ানডে সিরিজ খেলতে যাওয়ার কিছুদিন আগেও মনে হচ্ছিল আর হয়তো জাতীয় দলে ডাকবে না। মনে হচ্ছিল, তরুণদের চ্যালেঞ্জ করে ঢোকা কঠিন। তবে শ্রীলংকা সফরে অধিনায়ক তামিম ভাই এবং কোচ সুজন ভাই ও বোলিং কোচ চম্পকা রমানায়েকে দারুণ সমর্থন দিয়েছেন। অনেক দিন পর জাতীয় দলের খেললে অভিষেক অভিষেক মনে হবে। ভালো খেলার চাপ থাকে।’

মন্তব্য করুনঃ

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন