প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট থেকে অবসরে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মোহাম্মদ শরীফ। প্রায় দুই দশক দীর্ঘ সাদা পোশাকের ক্যারিয়ারের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এই ডানহাতি পেসার। ৩৪ বছর বয়সী শরীফ প্রথম শ্রেণিতে দেশের সফলতম পেসার। টি-টোয়েন্টি ছেড়েছেন আরও আগে। তবে মাঠ থেকেই লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটকে বিদায় বলতে চান তিনি।সবশেষ জাতীয় লিগে ফিটনেস পরীক্ষায় উতরাতে পারেননি। আর স্থগিত হওয়া ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে অংশ নেননি চোটের কারণে। করোনার মধ্যে এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিলেও সঞ্চিত অভিজ্ঞতা দেশের ক্রিকেটে ভিন্নভাবে কাজে লাগাতে চান শরীফ।
আপাতত প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট থেকে পুরোপুরি অবসর নিয়ে ফেলেছেন তিনি। তবে করোনা পরিস্থিতি সামলে নিয়ে চলতি মৌসুমের ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ ক্রিকেট যদি আবার শুরু হয়, তাহলে এই আসর খেলবেন তিনি। অন্যথায় গত মৌসুমের প্রিমিয়ার লিগে গাজী গ্রুপের বিপক্ষে খেলা ম্যাচটিই হয়ে থাকবে তার ক্যারিয়ারের শেষ।খেলোয়াড়ি জীবনের ইতি টানলেও থাকতে চান ক্রিকেটের সাথেই। নিজের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করতে চান তরুণ প্রজন্মের সাথে। তিনি বলেন, ‘এ নিয়ে সুজন (খালেদ মাহমুদ) ভাইয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি জানতে চেয়েছিলেন ক্রিকেট ছেড়ে কী করবো। কোচ না কি নির্বাচক হবো তা তিনি জানতে চান। আমি সিদ্ধান্ত নেই মাঠের ক্রিকেট ছাড়লেও ক্রিকেটের সঙ্গে যেন থাকতে পারি এমন কিছু করার। আমি যেন আমার এতদিনের অভিজ্ঞতা দেশ ও এই প্রজন্মের ক্রিকেটারদের দিতে পারি। তাই ফিট থাকার পরও খেলা ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্তই নিয়েছি’।
২০০১ সালে বাংলাদেশের জার্সিতে অভিষেক হওয়া মোহাম্মদ শরীফ খেলেছেন ১০ টেস্ট ও ৯ ওয়ানডে। যদিও পারফরম্যান্স খুব একটা নজর কাড়া ছিলনা। দুই ফরম্যাটে উইকেট যথাক্রমে ১৪ ও ১০ টি। তবে প্রথম শ্রেণি ও লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেট খেলার ভালো অভিজ্ঞতা আছে ৩৪ বছর বয়সী এই পেসারের। ১৩২ প্রথম শ্রেণিতে উইকেট ৩৯৩ টি, ১১৯ লিস্ট ‘এ’ ম্যাচে ঝুলিতে আছে ১৮৫ উইকেট। ২০০৭ সালে জাতীয় দলের হয়ে সবশেষ মাঠে নামা শরীফ খেলেছেন ২২ টি স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি ম্যাচও।












