রেকর্ডবুকে বিশাল সব কীর্তির কথা না থাকলেও বাংলাদেশের ক্রিকেটে কিংবদন্তি তারা। দেশের ক্রিকেট আজ যে অবস্থানে এসেছে, তার পেছনে এই দুজনের অবদানের তুলনা হয় না। এক সময় দেশের সেরা ব্যাটসম্যান ছিলেন হাবিবুল বাশার সুমন। আর খালেদ মাসুদ পাইলট ছিলেন সেরা উইকেটকিপার। পাইলটকে দেশের ইতিহাসের সেরা বললেও ভুল হবে না। কিন্তু এই দুজনেরই একটি বিব্রতকর রেকর্ড আছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কখনোই ম্যাচ সেরা হতে পারেননি তারা।
বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম সফল অধিনায়ক হাবিবুল বাশার ব্যাট হাতে নামলেই রান করতেন। তার নাম হয়ে গিয়েছিল ‘মি. ফিফটি’। অসম্ভব লড়াকু ব্যাটসম্যান হাবিবুল অনেক ম্যাচে একাই দলকে টেনেছেন। কিন্তু ১১১ ওয়ানডে এবং ৫০ টেস্ট খেলা হাবিবুল কখনই ম্যাচসেরা হতে পারেননি! ১৬১ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে তিনি আছেন এই তালিকার দুই নম্বরে। অন্যদিকে পাইলট ১২৬টি ওয়ানডে আর ৪৪টি টেস্ট মিলিয়ে খেলেছেন ১৭০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ। একবারও ম্যান অব দা ম্যাচ না হয়ে সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার রেকর্ডটি এখন পাইলটের!
এই দুজনের সময়ে বাংলাদেশ ক্রিকেটের বাস্তবতা অবশ্য ছিল ভীষণ কঠিন। বেশির ভাগ ম্যাচে দল মাঠে নামত সম্মানজনক পরাজয়ের জন্য। খালেদ মাসুদের আরেকটি ইন্টারেস্টিং তথ্য দেওয়া যেতে পারে। কখনো ম্যাচসেরা না হলেও একবার সিরিজ সেরা হয়েছিলেন তিনি! ২০০২ সালে শ্রীলঙ্কা সফরে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে মোট ১০২ রান করে পাইলট এই পুরস্কার পান। ওই সময়ে প্রতিটি দলেই উইকেটকিপারদের ব্যাটিংটা ‘বোনাস’ হিসেবে ধরা হতো। যে কারণে এই তালিকায় থাকা বাকি তিনজনই উইকেটকিপার! কিরন মোরে (১৪৩), সৈয়দ কিরমানি (১৩৭) এবং ওয়াসিম বারি (১৩২) কখনই ম্যাচসেরা হতে পারেননি!












