দীর্ঘ ১ বছরের বেশি সময় হলো, কোন আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেনি বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল। ফলাফল, দ্রুতই অবনতি হচ্ছে র্যাংকিংয়ে। ফিফা প্রকাশিত সবশেষ র্যাংকিংয়ে ১৩০ থেকে ৪ ধাপ নেমে প্রমিলা ফুটবলারদের অবস্থান ১৩৪। বাফুফে সাধারণ সম্পাদকও শোনাতে পারেন-নি কোন আশার বানী। বলেন, জাতীয় দল নয় আপাতত বয়স ভিত্তিক পর্যায় নিয়েই সাজানো হচ্ছে তাদের পরিকল্পনা।
ছেলেদের টানা ব্যর্থতার মাঝেও, একটা সময় ছিলো যখন দেশের ফুটবলের সবটুকু আশার আলো ছিলো নারীদের ঘিরে। বয়সভিত্তিক কিংবা জাতীয় দল, সাফল্যের ধারাবাহিকতায় সে প্রত্যাশার পালেও জোড় হাওয়া দিচ্ছিলো ছোটন শিষ্যরা।
তবে ভ্রম ভাঙ্গতেও সময় নেয়নি বেশিক্ষণ। কারণ পরবর্তীতে বয়সভিত্তিক পর্যায়ের দু’একটা টুর্নামেন্ট ছাড়া, রীতিমত ধুঁকেছে বাংলার জয়ীতারা। ভরাডুবির ভয়ে নানা সমালোচনার পরেও দল পাঠানো হয় নি এসএ গেমসে। নেই জাতীয় দলের ব্যস্ততাও।
ফলাফলটা অবসম্ভাবী। ঘোষিত প্রায় প্রতিটি র্যাংকিংয়েই অধ:পতন হয় বাংলাদেশের। সবশেষ গিয়ে ঠেকেছে ১৩৪ এ। ফেডারেশনও শোনাতে পারলো না কোন আশার বাণী।
বঙ্গমাতা টুর্নামেন্ট ছাড়া কার্যত নারীদলের ফুটবলের জন্য নেই কোন পাইপলাইন। একটা বয়সভিত্তিক দলকেই দেখানো হচ্ছে বারবারই। সাধারণ সম্পাদকও, করতে বললেন অপেক্ষাই।
করোনার কারণে অন্যসব টুর্নামেন্টের মতো স্থগিত দীর্ঘ অপেক্ষার পর চালু হওয়া নারীদের লিগও। তবে অবস্থা উন্নতি হলে দ্রুতই লিগ চালু করার পাশাপাশি জাতীয় দলকে নিয়ে এবার দীর্ঘ মেয়াদে পরিকল্পনা করতে চায় দেশের ফুটবলের সর্বোচ্চ অভিভাবক সংস্থাটি












