তিনি ছিলেন বোলিং বিভাগের শচিন টেন্ডুলকার : রায়না

গত ২ এপ্রিল ছিল ভারতের সর্বশেষ বিশ্বকাপ জয়ের নয় বছর পূর্তি। প্রতি বছর এই দিনটিকে আলাদাভাবেই উদযাপন করে বিশ্বজয়ী দলটি। ২০১১ বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম কুশীলব সুরেশ রায়না জানালেন, হোলি আর দিওয়ালির মতো করেই এ দিনটি তারা পালন করেন।

বিশ্বকাপ জয়ের স্মৃতি আওড়াতে গিয়ে সুরেশ রায়না টেনে আনলেন অন্যরকম একটি প্রসঙ্গ। ব্যাটিং বিভাগে যেমন ভারতের তখন ছিল স্তম্ভ শচিন টেন্ডুলকার, তেমনিভাবে বোলিং বিভাগেও একজন শচিন ছিলেন- মনে করেন ৩৪ বছর বয়সী এই ব্যাটসম্যান। কে তিনি?

চেন্নাই সুপার কিংসের ব্যাটসম্যান তুলে আনলেন পেসার জহির খানের নাম। রায়না বলেন, ‘আমরা যে সিদ্ধান্তই নিয়েছি, আমাদের পক্ষে গিয়েছে। জহির ভাই বোলিং আক্রমণের নেতৃত্ব দিয়েছেন। সবাই আমাদের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপের কথা বলছিল, তবে আমি বলব তিনি ছিলেন আমাদের বোলিং বিভাগের শচিন টেন্ডুলকার। প্রতিটি সময় তিনি আমাদের ব্রেক থ্রুে এনে দিয়েছেন। তারপর বড় অবদান আসে যুবরাজের থেকে, যিনি উইকেট নিয়ে ম্যাচ শেষ করেন।’

ওই বিশ্বকাপে জহির ছিলেন যৌথভাবে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি। পাকিস্তানের শহীদ আফ্রিদির মতই টুুর্নামেন্টে ২১ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। গড় ছিল মাত্র ১৮.৭৬।

মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে সেই ফাইনালে শ্রীলঙ্কার ২৭৫ রান তাড়া করতে গিয়ে শুরুতে উইকেট হারালেও পুরো দল শান্ত ছিল, জানালেন রায়না।

তিনি বলেন, ‘যদিও শ্রীলঙ্কা চ্যালেঞ্জিং পুঁজি দাঁড় করিয়েছিল। কিন্তু সবাই ড্রেসিংরুমে শান্ত ছিল। কেউ গোসল করছিল, কেউ আইস বাথ নিচ্ছিল, কেউবা খাচ্ছিল। তবে সবাই শুধু ট্রফিটা নিয়েই ভাবছিল। সবাই যার যার মতো ভাবছিল, তবে কেউই কারো সঙ্গে কথা বলছিল না।’

মন্তব্য করুনঃ

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন