যুবলীগ নেতার ট্রলিতে বিক্ষুব্ধ জনতার আগুন

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার কাউলিবেড়া ইউনিয়নের পল্লিবেড়া গ্রামে বুধবার (১এপ্রিল)দুপুরে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালিয়ে বালি ব্যবস্থাপনা আইনে মাটি উত্তোলনের অপরাধে ঘটনাস্থল থেকে আজিমনগর ইউনিয়নের যুবলীগের সভাপতি মামুন শিকদারের একটি ভেকু জব্দ করেছেন। 

এ সময় জড়িত চার জনকে আটক করা হয়।  বিক্ষুব্ধ জনতা মাটি বহনকারী তিনটি ট্রলিতে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে। এ ঘটনায় ভেকুর মালিক মামুনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু করার প্রস্তুতি চলছে বলে ভ্রাম্যমান আদালত বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোঃ রকিবুর রহমান সঙ্গে ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি কর্মকর্তা মোঃ আল আমিন মিয়া।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রকিবুর রহমান জানান, জনগুরুত্ব পূর্ণ এলজিইডি রাস্তার পাশ থেকে এরা ভেকু দিয়ে মাটি উত্তোলন করে রাস্তার ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে। 

স্থানীয় একাধিক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের অভিযোগে আমরা অভিযানে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে বালি ব্যবস্থাপনা আইনে জন বিরোধী কাজ করার দায়ে ভ্রাম্যমান আদালত একটি ভেকু জব্দ করে। এসময় চার জনকে আটক করেছি।  
মালিক মামুনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে নিয়মিত মামলার প্রক্রিয়া চলছে। ট্রলিতে আগুন দেয়ার বিষয়ে আমরা পৌঁছানোর আগেই বিক্ষুব্ধ জনতা ট্রলিতে আগুন দিয়েছে এটা আমাদের জানানাই।


অন্যদিকে যুবলীগের সভাপতি মামুন শিকদার বলেন, আমি কাজী জাফরউল্লার সমর্থনে নৌকার দল করে আজিমনগর ইউনিয়নের যুবলীগের সভাপতি এটা করাই আমার অপরাধ সেজন্য পূর্ব শত্রুতার জের ধরে স্বতন্ত্র এমপি নিক্সন চৌধুরীর সমর্থক মোতালেব চেয়ারম্যানের নির্দেশে তার লোকজন আমার ৫০ লক্ষ টাকার তিনটি গাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে। 

এ দিকে আজিমনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোতালেব মাতুব্বর বলেন, আমি নৌকার চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন  আওয়ামীলীগের সভাপতি। ঘটনাটি আমার ইউনিয়নে না, অন্য কাউলিবেড়া ইউনিয়নে। এটা ভ্রাম্যমান আদালতের বিষয় রাস্তা ক্ষতির জন্য করেছে আমি কিছু জানিনা।

মন্তব্য করুনঃ

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন